📌 ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দুই দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। তিনি ‘১০০ অ্যান্ড ১০০ শতাংশ’ আশাবাদী বলেছেন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যতে। সফর অবশ্যই হবে, তবে তাড়াহুড়ো ছাড়াই যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও আশাবাদকে গুরুত্ব দিয়ে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, এই সফরটি ‘দুই দেশের মানুষের প্রত্যাশার কারণেই’ এত আলোচিত হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার আজ বুধবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই সফর কোনো রাজনৈতিক বা সরকারি পর্যায়ের বিষয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান পরিবেশ ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ এবং দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নিশ্চিত।
- 📌 তিনি ‘১০০ অ্যান্ড ১০০ শতাংশ’ আশাবাদী বলেছেন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যতে, উল্লেখ করে যে দুই দেশের মানুষের প্রত্যাশা হলো ‘অনেক ভালো’ সম্পর্ক গড়ে তোলা।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নভেম্বর মাসে হতে পারে কিনা সে বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘সফর অবশ্যই হবে, তবে তাড়াহুড়োর কোনো প্রয়োজন নেই’।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেন, সফরের আগে ‘বাণিজ্য, পানি ও অন্যান্য বিষয়’ নিয়ে যথাযথ আলোচনা প্রয়োজন।
- 📌 মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান জানান, ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে তাঁর বৈঠক ছিল ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ এবং প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
- 📌 ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ফোয়ারা নির্মাণের খবর সঠিক নয়’ — মন্ত্রী জানান, স্বাধীনতা স্তম্ভের মূল চেতনা বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকার আলোচনা করছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ সাংবাদিকদের বলেছেন, এই সফরটি ‘দুই দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন’। তিনি বলেন, “এটি কোনো রাজনৈতিক বা সরকারি পর্যায়ের বিষয় নয়, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কারণেই এত সংবাদ হচ্ছে।” তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান পরিবেশ ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ এবং দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নিশ্চিত।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “দুই সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশের দুই নেতা কোনো এক সময়ে বৈঠক করবেন—এটি নিশ্চিত। চ্যালেঞ্জ থাকলেও, যথাযথ আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এসব সমাধান করা সম্ভব।” তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নভেম্বর মাসে হতে পারে কিনা সে বিষয়ে তিনি বলেন, “তারিখ নিয়ে কোনো কথা হয়নি। এমনকি মাস নিয়েও আলোচনা হয়নি। তবে সফর অবশ্যই হবে। তবে তাড়াহুড়োর কোনো প্রয়োজন নেই। সফরের আগে যথাযথ প্রস্তুতি প্রয়োজন। বাণিজ্য, পানি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে।”
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে। তিনি বলেন, “দুই নেতা ‘একই পেজে’ আছেন। তাদের ভাবনা-চিন্তার কেন্দ্রে সাধারণ মানুষ। চ্যালেঞ্জ থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের জন্য ভালো হবে বলে আমি আশা করি।”
দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে কতটা আশাবাদী-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি ‘১০০ অ্যান্ড ১০০ শতাংশ’ আশাবাদী। আমার মতে, দুই দেশের মানুষের প্রত্যাশা হলো সম্পর্ক আরও ভালো করা এবং একটি নতুন অধ্যায় শুরু করা।”
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান জানান, ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক ছিল ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’। তিনি বলেন, “দুই দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে, এর বাইরে কোনো আলোচনা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা তাঁর মুখপাত্রই জানাবেন।”
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান নিয়ে আগে যে পরিকল্পনা ছিল, সেটির পরিবর্তে ফোয়ারা নির্মাণের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভ কীভাবে শেষ করা যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের স্থান নিয়ে সেখানে ফোয়ারা নির্মাণের বিষয়ে আমাদের কোনো আলোচনা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেখানে কী করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার স্বাধীনতা স্তম্ভের মূল চেতনা কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে ভাবছে।”
"দুই দেশের সাধারণ মানুষ এ সফরকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। এটি কোনো রাজনৈতিক বা সরকারি পর্যায়ের বিষয় নয়, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কারণেই সফরটি নিয়ে এত আগ্রহ তৈরি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়), সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীনেশ ত্রিবেদী (ভারতের হাইকমিশনার), আহমদ আযম খান (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী), তারেক রহমান (বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ অ্যান্ড ১০০ শতাংশ (আশাবাদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!