📌 বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল আজ দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠকে অংশ নেবে। বৈঠকে পাটজাত পণ্যের শুল্ক, বাণিজ্য বাধা ও স্থলবন্দর বিষয় আলোচিত হবে
বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল আজ (৮ অক্টোবর) ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠকে অংশ নিতে উপস্থিত হবে। এই বৈঠক বৃহস্পতিবার শুরু হয়ে শুক্রবার শেষ হবে। বৈঠকে পাটজাত পণ্যে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক, বাণিজ্যিক বাধা, স্থলবন্দর সংক্রান্ত বিষয়সহ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল দিল্লিতে অংশ নিচ্ছে
- 📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে ১৭৫ কোটি ডলার পণ্য রফতানি করেছে
- 📌 ভারত বাংলাদেশে এক হাজার ৯৬ কোটি ডলার পণ্য রফতানি করেছে
- 📌 চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানি উৎস
- 📌 বৈঠকে আলোচিত হবে শিল্পের কাঁচামাল, কাপড়, সুতা ও তুলার আমদানি বিষয়
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি সরকারি প্রতিনিধিদল গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যিক বাধা, পাটজাত পণ্যে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক, স্থলবন্দর সংক্রান্ত বিষয়সহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিষয় আলোচিত হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে ১৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। অন্যদিকে, ভারত বাংলাদেশে এক হাজার ৯৬ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। এই তথ্য থেকে দেখা যায়, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানি উৎস। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে শিল্পের কাঁচামাল, কাপড়, সুতা ও তুলা আমদানি করে।
বৈঠকটি বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করার জন্য আলোচনা চলবে।
"বৈঠকে পাটজাত পণ্যের শুল্ক বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। আমরা চাই আমাদের পাটজাত পণ্যের জন্য ন্যায়সঙ্গত শুল্ক ব্যবস্থা করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আয়েশা আক্তার (বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬তম বৈঠক, ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল, ১৭৫ কোটি ডলার রফতানি, ৯৬ কোটি ডলার রফতানি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!