📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জাতিসংঘ দিবস উদযাপনে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের জোরালো সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বহুপাক্ষিকতায় জোর দেওয়ার কথা পুনরাবৃত্তি করেছেন
জাতিসংঘের জোরালো সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের দাবি জোরদার হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ দিবস উদযাপনে এই দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য কার্যকর জাতিসংঘের ভূমিকা অপরিহার্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জাতিসংঘের জোরালো সম্পৃক্ততার দাবি তুলে ধরেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতায় জোর দিচ্ছে, জাতিসংঘের তিনটি মূল স্তম্ভে নতুন করে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
- 📌 ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংলাপ ও সহযোগিতার প্রচেষ্টা জোরদার
- 📌 ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টা ও এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে আন্তর্জাতিক সহায়তার দাবি
- 📌 নারীর ক্ষমতায়ন ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারীদের অবদান প্রশংসিত, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা দূর করার আহ্বান
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব গড়ে তুলতে কার্যকর জাতিসংঘ এবং শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংহতি অপরিহার্য। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বহুপাক্ষিকতায় জোর দেওয়ার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘের তিনটি মূল স্তম্ভ— উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার—এই তিনটিতে বাংলাদেশের নতুন করে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী অবদানের কথা তুলে ধরেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে চলমান ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংলাপ উৎসাহিত করা, ঐকমত্য গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন প্রতিমন্ত্রী।
‘টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের নিরন্তর প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন তিনি। তিনি উল্লেখ করেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথে থাকা বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সহায়তা, সাশ্রয়ী অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বাজারে নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার অত্যন্ত জরুরি।
নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারীদের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, ডিজিটাল হয়রানি এবং সমান সুযোগ পাওয়ার পথে থাকা বাধাগুলো দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ‘জাতিসংঘ নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে সম্প্রতি শুরু হওয়া ‘ঢাকা সংলাপ’-এর মতো উদ্যোগগুলোর ভূমিকার ওপর জোর দেন।
"বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব গড়ে তুলতে কার্যকর জাতিসংঘ এবং শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংহতি অপরিহার্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার একটি হোটেল (জোনটা ইন্টারন্যাশনাল, ডিস্ট্রিক্ট ২৫)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ অক্টোবর, ২০২৬; ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!