📌 অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশন বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব করেছে। নতুন 'হাই ভ্যালু স্টাডি ভিসা' চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রের শিক্ষার্থীরাই পরিবার নিয়ে আসতে পারবেন। সরকারের লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে নিট অভিবাসী সংখ্যা কমিয়ে আনতে
অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার নিয়ে আসার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব করেছে রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশন। তারা নতুন 'হাই ভ্যালু স্টাডি ভিসা' চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট উচ্চতর শিক্ষা ক্ষেত্রের শিক্ষার্থীরাই পরিবার নিয়ে আসতে পারবেন। এই পরিবর্তন অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা করতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার ওয়ান নেশন দল বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার নিয়ে আসার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব করেছে।
- 📌 নতুন 'হাই ভ্যালু স্টাডি ভিসা' চালু করার পরিকল্পনা, যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট উচ্চতর শিক্ষা ক্ষেত্রের শিক্ষার্থীরাই পরিবার নিয়ে আসতে পারবেন।
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ঘোষণা করবেন ২০২৮ সালের মধ্যে নিট অভিবাসী সংখ্যা ৩ লাখ থেকে কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা হবে।
- 📌 ওয়ান নেশন দলের লক্ষ্য তিন বছরের মধ্যে অস্থায়ী অভিবাসী সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমিয়ে আনতে।
- 📌 কোভিড-১৯ এর পর ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়া সীমান্ত খুললে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পায়।
📰 বিস্তারিত
অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশন বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার নিয়ে আসার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব করেছে। তারা বলেছে, বর্তমান ব্যবস্থায় অপব্যবহার হচ্ছে এবং প্রকৃত শিক্ষার্থীদের সুযোগ নিশ্চিত করতে নতুন নিয়ম প্রয়োজন। নতুন 'হাই ভ্যালু স্টাডি ভিসা' চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ কিছু উচ্চতর শিক্ষা ক্ষেত্রের শিক্ষার্থীরাই পরিবার নিয়ে আসতে পারবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে বক্তৃতা দেবেন। তিনি ঘোষণা করবেন যে, ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার নিট অভিবাসী সংখ্যা বর্তমানের ৩ লাখ থেকে কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা হবে। ওয়ান নেশন দলের নীতির মূল কথা হলো 'অস্ট্রেলিয়া ফার্স্ট'। তারা তিন বছরের মধ্যে অস্থায়ী অভিবাসী সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমিয়ে আনতে চায় এবং পরবর্তীতে নিট অভিবাসী সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজারে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
কোভিড-১৯ এর কারণে দুই বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া সীমান্ত পুনরায় খুলে দেয়। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ব্যাকপ্যাকার এবং অস্থায়ী কর্মীদের আগমন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বিদেশি শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনসঙ্গী বা পার্টনারদের নিয়ে আসতে পারেন, তবে তাদের কাজের অনুমোদিত সময়সীমা শিক্ষার্থীর পাঠ্যক্রমের উপর নির্ভর করে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তানদেরও নিয়ে আসতে পারেন।
"যারা প্রকৃত শিক্ষার্থী এবং অস্ট্রেলিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পড়াশোনা করতে চান, তাদের সুযোগ থাকা উচিত। তবে বর্তমান ব্যবস্থায় অপব্যবহার হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক, ওয়ান নেশন দলের নেতৃত্ব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ (বর্তমান নিট অভিবাসী), ২ লাখ ২৫ হাজার (২০২৮ সালের লক্ষ্য), ৭ লাখ ৫০ হাজার (অস্থায়ী অভিবাসী লক্ষ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!