📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের আসামে বনাঞ্চল থেকে উচ্ছেদে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার, ১০টি মসজিদ ধ্বংস

ভারতের আসামে বনাঞ্চল থেকে উচ্ছেদে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার, ১০টি মসজিদ ধ্বংস

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের আসাম রাজ্যের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাট জেলায় বনাঞ্চল থেকে দুই দিনে ১১০০-এরও বেশি বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদের সময় ১০টি মসজিদ ধ্বংসের শিকার হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি, তাদের পূর্বপুরুষদের ১৯৭৪ সালে এই জমিতে পুনর্বাসন করা হয়েছিল

ভারতের আসাম রাজ্যে বনাঞ্চলীয় ভূমি থেকে দুই দিনের অভিযানে ১১০০-এরও বেশি বাঙালি মুসলিম পরিবারকে বিতাড়িত করা হয়েছে। এই অভিযানের সময় অন্তত ১০টি মসজিদ ধ্বংসের শিকার হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নগাঁও জেলার লুতুমারী লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে রোববার (২০ অক্টোবর) ৫০০ থেকে ৬০০টি পরিবারকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগের দিন নগাঁওয়ে ৩৩৬টি, হোজাইতে ১৫২টি এবং গোলাঘাটে ৫৯টি পরিবারসহ মোট ৫৪৭টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাটে দুই দিনে ১১০০-এরও বেশি বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ করা হয়েছে
  • 📌 উচ্ছেদের সময় ১০টি মসজিদ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে
  • 📌 উচ্ছেদের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি হাইকোর্টে আবেদন করা হলেও আদালত ৩০ দিনের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে
  • 📌 আসাম সরকারের দাবি, সরকারি ও বনাঞ্চলীয় জমি জবরদখলমুক্ত করার উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হচ্ছে
  • 📌 উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দা আব্দুল নূর জানান, পূর্বপুরুষদের ১৯৭৪ সালে এই জমিতে পুনর্বাসন করা হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

আসামের নগাঁও জেলার লুতুমারী লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে রোববার (২০ অক্টোবর) কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ৫০০ থেকে ৬০০টি পরিবারকে বিতাড়িত করা হয়। এর আগের দিন নগাঁওয়ে ৩৩৬টি, হোজাইতে ১৫২টি এবং গোলাঘাটে ৫৯টি পরিবারসহ মোট ৫৪৭টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। এইভাবে মোট ১১০০-এরও বেশি পরিবারকে বিতাড়িত করা হয়েছে। উচ্ছেদের সময় স্থানীয়রা জানান, তাদের পূর্বপুরুষদের ঔপনিবেশিক আমলের ‘তাউঙ্গিয়া’ ব্যবস্থার অধীনে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের শ্রমিক হিসেবে কাজ করা ছিল। ১৯৭১ সালের আগে অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে এই জমিতে পুনর্বাসন করা হয়েছিল তাদের পূর্বপুরুষদের।

উচ্ছেদের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা গুয়াহাটি হাইকোর্টে আবেদন করে। তবে আদালত সংরক্ষিত বনাঞ্চল সুরক্ষার স্বার্থে তাদের ৩০ দিনের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। আসাম সরকারের দাবি, এই অভিযানের উদ্দেশ্য সরকারি ও বনাঞ্চলীয় জমি জবরদখলমুক্ত করা। দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, আসাম সরকারের এক দশকের শাসনামলে প্রায় ১৯ হাজার পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত।

"ঔপনিবেশিক আমলের ‘তাউঙ্গিয়া’ ব্যবস্থার অধীনে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের শ্রমিক হিসেবে কাজ করা আমাদের পূর্বপুরুষদের ১৯৭৪ সালে এই জমিতে পুনর্বাসিত করা হয়েছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আসাম রাজ্য (নগাঁও, হোজাই, গোলাঘাট জেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল নূর (উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১০০+ পরিবার উচ্ছেদ, ১০টি মসজিদ ধ্বংস, ১৯৭৪ সালে পুনর্বাসন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖