📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাশলি পলসনের ট্রেডমিলে ১০০ মাইল দৌড়ের বিশ্বরেকর্ড ভাঙা

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাশলি পলসনের ট্রেডমিলে ১০০ মাইল দৌড়ের বিশ্বরেকর্ড ভাঙা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪ বছর বয়সী অ্যাশলি পলসন ট্রেডমিলে ১০০ মাইল দৌড়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। তাঁর সময় লেগেছে ১২ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট ১০ সেকেন্ড। আগের রেকর্ডকে পেছনে ফেলে তিনি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪ বছর বয়সী অ্যাশলি পলসন ট্রেডমিলে টানা ১০০ মাইল দৌড়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। তাঁর এই অসাধারণ কীর্তি সম্পন্ন করতে সময় লেগেছে ১২ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট ১০ সেকেন্ড। গত ১৮ এপ্রিল ম্যাসাচুসেটসের বোস্টন ম্যারাথন এক্সপোতে তিনি এই রেকর্ড অর্জন করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অ্যাশলি পলসন ট্রেডমিলে ১০০ মাইল দৌড়ে নতুন গিনেস বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন
  • 📌 তাঁর সময় লেগেছে ১২ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট ১০ সেকেন্ড
  • 📌 আগের নারীদের ট্রেডমিলে ১০০ মাইল দৌড়ের রেকর্ডকে দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে পেছনে ফেলেছেন
  • 📌 অ্যাশলি একজন ফিটনেস ইনফ্লুয়েন্সার, অন-ক্যামেরা প্রশিক্ষক ও পেশাদার আলট্রাম্যারাথন দৌড়বিদ
  • 📌 তাঁর চার সন্তান ও এক নাতি রয়েছে
  • 📌 তিনি ২০২৩ সালে ‘ব্যাডওয়াটার ১৩৫ আলট্রাম্যারাথনে’ নারীদের মধ্যে দ্রুততম দৌড়ের রেকর্ড গড়েছিলেন
  • 📌 ট্রেডমিলে দৌড়ের সময় বিরতি নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি টানা দৌড়েছেন

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাশলি পলসন নামের ৪৪ বছর বয়সী একজন নারী ট্রেডমিলে টানা ১০০ মাইল দৌড়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। তাঁর এই অসাধ্য সাধন করতে সময় লেগেছে ১২ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট ১০ সেকেন্ড। গত ১৮ এপ্রিল ম্যাসাচুসেটসের বোস্টন ম্যারাথন এক্সপোতে তিনি এই কীর্তি সম্পন্ন করেন। এর আগে নারীদের মধ্যে ট্রেডমিলে দ্রুততম ১০০ মাইল দৌড়ানোর রেকর্ড ছিল তাঁর নিজেরই। তিনি সেই রেকর্ডকে দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছেন।

অ্যাশলি একজন ফিটনেস ইনফ্লুয়েন্সার, অন-ক্যামেরা প্রশিক্ষক ও পেশাদার আলট্রাম্যারাথন দৌড়বিদ। তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাখ লাখ অনুসারী রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চার সন্তানের মা এবং তাঁর এক নাতিও রয়েছে। অ্যাশলি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে জানান, কয়েক বছর ধরেই তিনি এই রেকর্ড গড়ার কথা ভাবছিলেন। তিনি বলেন, রাস্তার রেসে তাঁর গতি ট্রেডমিলের আগের রেকর্ডের চেয়ে বেশি ছিল। তাই তিনি এই রেকর্ড গড়ার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।

ট্রেডমিলে দৌড়ানোর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অ্যাশলি বলেন, এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ভূখণ্ডের কোনো বৈচিত্র্য না থাকা। ডানে-বাঁয়ে বা উঁচু-নিচু পথে ঘোরার সুযোগ না থাকায় নির্দিষ্ট পেশিতে মারাত্মক ক্লান্তি আসে। এর আগে ২০২৩ সালে তিনি চরমভাবাপন্ন ‘ব্যাডওয়াটার ১৩৫ আলট্রাম্যারাথনে’ নারীদের মধ্যে দ্রুততম দৌড়ের রেকর্ড গড়েছিলেন। ওই রেসে তাঁকে ডেথ ভ্যালি থেকে শুরু করে ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে দৌড়াতে হয়েছিল।

ট্রেডমিলে রেকর্ড গড়ার সময় নিয়ম অনুযায়ী বিরতি নেওয়ার সুযোগ থাকলেও ঘড়ির কাঁটা থামানোর উপায় ছিল না। তাই বাথরুমের জন্য ছোট কিছু বিরতি বাদে তিনি টানা দৌড়েছেন। এ সময় ভক্তরা তাঁর নিয়ন রঙের চুলের সঙ্গে মিলিয়ে গোলাপি পরচুলা পরে দারুণ উৎসাহ দিয়েছেন। সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল, যখন তাঁর এক ছেলে আইপ্যাডে ফেসটাইমের মাধ্যমে অন্য ভাই–বোনদের মায়ের রেকর্ড ভাঙার দৃশ্য দেখাচ্ছিলেন।

"যা আগে কেউ করেনি, তা করতে পারাটা সব সময়ই দারুণ। তবে আমার সন্তান ও নাতিকে এটা দেখাতে পারাটাই সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে, চাইলে বড় স্বপ্ন দেখা যায় এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তা অর্জন করা যায়। সবাইকে আমার বার্তা, কঠোর পরিশ্রম করুন, ধারাবাহিক হোন এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখুন।"

অ্যাশলি ইতিমধ্যে ১৪০টির বেশি ম্যারাথন শেষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম করুন, ধারাবাহিক হোন এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখুন।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাশলি পলসন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ বছর, ১০০ মাইল, ১২ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট ১০ সেকেন্ড, ১৩৫ আলট্রাম্যারাথন, ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৪০টি ম্যারাথন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖