📌 নরওয়ের স্ভালবার্দ দ্বীপপুঞ্জের লংইয়ারবিয়েন গ্রামে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ গলে ভবন ধ্বংসের ঝুঁকিতে পড়েছে। হিমবাহের ৫৭% ভূমি গলে যাওয়ায় বাসিন্দাদের পানিতে বিষাক্ত ধাতু মিশে যাচ্ছে এবং আবাসন সংকট তীব্রতর হচ্ছে।
নরওয়ের স্ভালবার্দ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর মেরুর শেষ জনবসতির একটি ছোট্ট গ্রাম লংইয়ারবিয়েন জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাবের শিকার। এই গ্রামে বরফের স্তর দ্রুত গলে যাচ্ছে, ভূমিধসের কারণে বাড়ি ভাঙছে এবং পানিতে বিষাক্ত ধাতু মিশে যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫৭% ভূমি হিমবাহে ঢাকা স্ভালবার্দের এই গ্রামে বরফের স্তর প্রতিবছর ১ থেকে ৪ মিটার পাতলা হয়ে যাচ্ছে
- 📌 পারমাফ্রস্ট গলে ভূমিধসের কারণে বাড়ির দেয়ালে ফাটল ধরে, অনেক বাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে
- 📌 কলের পানি পানিতে বিষাক্ত ধাতু মিশে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, বাসিন্দাদের সুপারমার্কেটের ফিল্টার করা পানি খেতে বাধ্য
- 📌 ২০১৫ সালের তুষারধসে দুজনের মৃত্যুর পর পাহাড়ে ‘তুষারবেড়া’ নির্মাণ করা হয়েছে
- 📌 ২ হাজার ৬০০ বাসিন্দা থাকলেও পর্যটনশিল্পেরও ক্ষতি হচ্ছে — স্নোমোবাইলগুলো গ্রাম থেকে অন্তত ৭ মাইল দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আর্কটিক অঞ্চলের এই গ্রামটি রোমাঞ্চসন্ধানীদের কাছে জনপ্রিয়, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন অস্তিত্বের সংকটে। হিমবাহ গবেষক অধ্যাপক অ্যান্ডি হডসন বলেছেন, ফক্সফোনা নামের হিমবাহ ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে। তুষারের বদলে বৃষ্টি বেশি হচ্ছে, যা বরফের স্তরকে আরও দুর্বল করছে।
বিশেষত পারমাফ্রস্ট গলে ভূমিধসের কারণে বাড়ির ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। অনেক বাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় আবাসন সংকট তীব্রতর হয়েছে। পানিতে বিষাক্ত ধাতু মিশে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ কলের পানি পান নিষেধ করেছে। বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে সুপারমার্কেটের ফিল্টার করা পানি ব্যবহার করছেন।
তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তুষারধসের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৫ সালে এক তুষারধসে দুজনের মৃত্যু হয়, তখন থেকে পাহাড়ে ‘তুষারবেড়া’ নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যটনশিল্পেও ক্ষতি হচ্ছে — স্নোমোবাইলগুলো গ্রাম থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং পর্যটকদের নিরাপদ দূরত্বে থাকতে বলা হচ্ছে।
"হিমবাহটি ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে। তুষারের বদলে মেঘ থেকে এখন বৃষ্টি ঝরছে বেশি।"
— অধ্যাপক অ্যান্ডি হডসন, হিমবাহ গবেষক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লংইয়ারবিয়েন গ্রাম, নরওয়ের স্ভালবার্দ দ্বীপপুঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক অ্যান্ডি হডসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭% (হিমবাহে ঢাকা ভূমি), ১-৪ মিটার (বরফের স্তর পাতলা), ২০১৫ (তুষারধসের বছর), ২ হাজার ৬০০ (বাসিন্দা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!