📌 আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলি জাতিসংঘকে ‘অকেজো সংগঠন’ বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সংস্থাটি সৎ উদ্দেশ্যের মুখোশধারী অহংকারীদেরকে টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আর্জেন্টিনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলি জাতিসংঘের কার্যক্রমকে ‘অকেজো’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি এখন ‘সৎ উদ্দেশ্যের মুখোশধারী অহংকারী পরজীবীদের’ একটি গোষ্ঠীকে টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি এই দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলি জাতিসংঘকে ‘অকেজো সংগঠন’ বলে সমালোচনা করেছেন
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, জাতিসংঘের মূল উদ্দেশ্য হলো ‘সৎ উদ্দেশ্যের মুখোশধারী অহংকারী পরজীবীদের’ গোষ্ঠীকে টিকিয়ে রাখা
- 📌 মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী শাসকগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক অবস্থান
- 📌 আর্জেন্টিনা ‘দ্ব্যর্থহীনভাবে’ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আর্জেন্টিনার মূল্যবোধের ‘গভীর সাদৃশ্য’ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলি সংস্থাটিকে ‘অকেজো’ বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি এমন একটি অকেজো সংগঠনে পরিণত হয়েছে, যার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সৎ উদ্দেশ্যের মুখোশধারী অহংকারী পরজীবীদের একটি গোষ্ঠীকে টিকিয়ে রাখা।’ এই ভাষণে তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক অবস্থানও প্রশ্নে রেখেছেন। তার অভিযোগ, মানবাধিকারের কথিত রক্ষকরা এমন কিছু স্বৈরশাসন ও শাসকগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে, যারা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত।
আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রনীতির অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন মাইলি। তিনি বলেছেন, তার দেশ ‘দ্ব্যর্থহীনভাবে’ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে নিজেদের একাত্ম করেছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আর্জেন্টিনার মূল্যবোধের ‘গভীর সাদৃশ্য’ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। ইসরায়েলের প্রতি আর্জেন্টিনার সমর্থনের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে মূল্যবোধের ঘনিষ্ঠতার কারণেই তার সরকার ইসরায়েলের পাশে রয়েছে।
মাইলির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণেও সেই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
"এটি এমন একটি অকেজো সংগঠনে পরিণত হয়েছে, যার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সৎ উদ্দেশ্যের মুখোশধারী অহংকারী পরজীবীদের একটি গোষ্ঠীকে টিকিয়ে রাখা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, নিউ ইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাভিয়ের মাইলি (আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!