📌 আমেরিকা সরকার নতুন নীতিমালা জারি করেছে যাতে বিশ্বের শীর্ষ আইটি কোম্পানিগুলোকে হাজার হাজার বিদেশী কর্মীর গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের মতে, কোম্পানিগুলো ‘বন্দী শ্রমিকের মতো’ বিদেশী কর্মীদের নিয়ে মার্কিন কর্মীদের বেতন কমিয়ে দিচ্ছে।
আমেরিকার সরকার নতুন নীতিমালা জারি করেছে যাতে বিশ্বের শীর্ষ আইটি কোম্পানিগুলোকে হাজার হাজার বিদেশী কর্মীর গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে মার্কিন সরকার দাবি করছে, কোম্পানিগুলো ‘বন্দী শ্রমিকের মতো’ বিদেশী কর্মীদের নিয়ে মার্কিন কর্মীদের বেতন কমিয়ে দিচ্ছে এবং তাদের কর্মসংস্থানকে হুমকির মুখে ফেলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মাইক্রোসফট, অ্যাডোব, টিসিএস, ইনফোসিস, উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস ও ক্যাপজেমিনি** সহ বিশ্বের শীর্ষ ৭টি আইটি কোম্পানিকে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
- 📌 **ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স** বলেছেন, কোম্পানিগুলো “ফ্রড” করে মার্কিন কর্মীদের বেতন কমিয়ে দিচ্ছে এবং বিদেশী কর্মীদের ‘বন্দী শ্রমিকের মতো’ ব্যবহার করছে।
- 📌 **ল্যাবার সেক্রেটারি কিথ সন্ডারলিং** দাবি করেছেন, এই প্রক্রিয়ায় “সিস্টেমিক ফ্রড” চলছে এবং মার্কিন কর্মীরাই এই খরচ বহন করছেন।
- 📌 **মেটা, অ্যামাজন, গুগল** সহ অন্যান্য কোম্পানিগুলো এই নীতিমালার আওতায় আসবে না।
- 📌 **পার্মানেন্ট ল্যাবার সার্টিফিকেশন (পার্ম)** প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিদেশী কর্মীরা মার্কিন নাগরিকত্ব পেতে পারতেন।
📰 বিস্তারিত
আমেরিকার সরকার নতুন নীতিমালা জারি করেছে যাতে বিশ্বের শীর্ষ আইটি কোম্পানিগুলোকে হাজার হাজার বিদেশী কর্মীর গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে মার্কিন সরকার দাবি করছে, কোম্পানিগুলো ‘বন্দী শ্রমিকের মতো’ বিদেশী কর্মীদের নিয়ে মার্কিন কর্মীদের বেতন কমিয়ে দিচ্ছে এবং তাদের কর্মসংস্থানকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই পদক্ষেপের ফলে হাজার হাজার বিদেশী কর্মী তাদের গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, “প্রোগ্রামটি ‘ফ্রড’-এর সাথে ভরপুর হয়ে উঠেছে।” তিনি দাবি করেছেন, কোম্পানিগুলো মার্কিন কর্মীদের বেতন কমিয়ে দিচ্ছে এবং বিদেশী কর্মীদের ‘বন্দী শ্রমিকের মতো’ ব্যবহার করছে। ল্যাবার সেক্রেটারি কিথ সন্ডারলিং বলেছেন, “এই ফ্রড শেষ হয় না শুধু চাকরি পাওয়ার পরেই। এই চাকরি তাদের পরিবারকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকার সুযোগ দেয় এবং শেষ পর্যন্ত মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ খুলে দেয়। কিন্তু এই সব খরচ বহন করছেন মার্কিন কর্মীরাই।”
মাইক্রোসফটকে বিশেষভাবে লক্ষ্য করে ভ্যান্স বলেছেন, এই কোম্পানিকে পার্ম প্রোগ্রাম থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে রয়েছে অ্যাডোব, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসাল্টেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস এবং ক্যাপজেমিনি। এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাইক্রোসফট ও অ্যাডোব মার্কিন, ক্যাপজেমিনি ফরাসি এবং বাকিগুলো ভারতীয় কোম্পানি।
সন্ডারলিং বলেছেন, “আমরা নতুন কোনো পার্মানেন্ট ল্যাবার সার্টিফিকেশন অ্যাপ্লিকেশন বা বর্তমান কোনো অ্যাপ্লিকেশন প্রক্রিয়া করব না, যা এই কোম্পানিগুলোর সাথে জড়িত।” ভ্যান্স বলেছেন, এই বাদ দেয়ার পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে “যে পরিমাণ সময় প্রয়োজন তার জন্য।”
"আমেরিকান কর্মীদের ভালো কর্মী নিয়োগ করতে হবে। মার্কিন কর্মীদের চাকরি ছেড়ে দিতে পারবেন না, তারপর বিদেশী বন্দী শ্রমিকদের নিয়ে তাদের পরিবর্তে চাকরি দিতে পারবেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, ল্যাবার সেক্রেটারি কিথ সন্ডারলিং
- 📌 প্রভাবিত কোম্পানি: মাইক্রোসফট, অ্যাডোব, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টিসিএস, উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস, ক্যাপজেমিনি
- 🔢 সংখ্যা: ৭টি কোম্পানি বাদ দেয়া হয়েছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!