📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামরিক সিদ্ধান্তে মানুষের নিয়ন্ত্রণ কতটা হারাচ্ছে?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামরিক সিদ্ধান্তে মানুষের নিয়ন্ত্রণ কতটা হারাচ্ছে?

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক রবিন গেইস বলেছেন, এআই প্রযুক্তির ব্যবহারে সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কমে আসছে যন্ত্রের গতির কাছাকাছি। পারমাণবিক ক্ষেত্রেও মানুষের বিচার-বিবেচনার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি

জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক রবিন গেইস মানবজাতির সামনে একটি চিন্তা-ভাবনার প্রশ্ন তুলে ধরেছেন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যন্ত্রের গতির সাথে মানুষের বিচার-বিবেচনার প্রতিযোগিতা কতটা বেড়েছে? তিনি বলেছেন, এআই প্রযুক্তির ব্যবহারে সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় যন্ত্রের গতির কাছাকাছি চলে আসছে, যার ফলে মানুষের নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রবিন গেইস বলেছেন, সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় যন্ত্রের গতির সাথে মানুষের বিচার-বিবেচনার প্রতিযোগিতা বেড়েছে, যার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে মানুষ
  • 📌 এআই ব্যবহারে গোয়েন্দা বিশ্লেষণ, লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ, ড্রোন পরিচালনা, সাইবার হামলা ও তথ্যযুদ্ধে যন্ত্রের ভূমিকা বেড়েছে
  • 📌 পারমাণবিক ক্ষেত্রেও এআই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে মানুষের বিচার-বিবেচনার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে
  • 📌 ২১ অক্টোবর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন গেইস
  • 📌 সুইজারল্যান্ড ও পাকিস্তানের সাথে মিলে জাতিসংঘের ইনস্টিটিউট ২২ অক্টোবর নতুন একটি ফোরাম চালু করবে
  • 📌 এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকানোর উদ্যোগের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কাজে এর ব্যবহারকে বাড়ানোর লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে

📰 বিস্তারিত

জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইউএনআইডিআইআর) পরিচালক রবিন গেইস বলেছেন, সামরিক কার্যক্রমের বিভিন্ন পর্যায়ে এআই ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমবর্ধমান। এর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ, ড্রোন পরিচালনা, সাইবার হামলা এবং তথ্যযুদ্ধ। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন কথা বলছি, তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় যন্ত্রের গতির কাছাকাছি চলে আসছে। এতে মানুষের বিচার-বিবেচনার সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে, এমনকি পারমাণবিক ক্ষেত্রেও।’

গেইসের মতে, এআই প্রযুক্তির বিস্তারে উন্নত সামরিক অভিযান পরিচালনার বাধা কমে আসছে। ফলে রাষ্ট্রের বাইরের গোষ্ঠীগুলোরও জটিল ও উন্নত অভিযান চালানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, অল্প কয়েকটি দেশ ও কোম্পানি এখন নিরাপত্তার গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখছে, কিন্তু প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের কাঠামো এ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তৈরি হয়নি।

গেইস বলেন, এআইয়ের প্রভাব আরো বড় হয়ে উঠছে। বড় শক্তিগুলোও এ বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে। ২২ অক্টোবর সুইজারল্যান্ড ও পাকিস্তানের সাথে মিলে ইউএনআইডিআইআর নিউইয়র্কে নতুন একটি ফোরাম চালু করবে। এই ফোরামের লক্ষ্য হলো, জাতিসংঘ ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং সামরিক ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে কাজ করা।

গেইসের ভাষায়, যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক এআইয়ের প্রতিযোগিতা মূলত গতির প্রতিযোগিতা। এর লক্ষ্য হলো, লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা থেকে শুরু করে সেখানে অস্ত্রের আঘাত হানা পর্যন্ত সময় কমিয়ে আনা। তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিটা শুধু নির্দিষ্ট কোনো অস্ত্রব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সামরিক কার্যক্রমে যন্ত্রের ব্যবহার মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেলে পুরো প্রক্রিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।’

"আমরা যখন কথা বলছি, তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় যন্ত্রের গতির কাছাকাছি চলে আসছে। এতে মানুষের বিচার-বিবেচনার সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে, এমনকি পারমাণবিক ক্ষেত্রেও।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ সদর দপ্তর), তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনদোলু
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিন গেইস (জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ অক্টোবর (সংবাদ সম্মেলনের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖