📌 ভারতে আদানির খনি প্রকল্পে আদিবাসীদের জমি দখলের পেছনে মৃতদের আঙুলের ছাপ ও ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ওড়িশার আদিবাসীরা দাবি করছেন, তাদের পূর্বপুরুষের জমি ও পরিবেশ ধ্বংসের আশঙ্কায় জালিয়াতি করা হচ্ছে
ভারতে আদানির বিশাল খনি প্রকল্পে আদিবাসীদের জমি দখলের পেছনে মৃতদের আঙুলের ছাপ ও ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ওড়িশার কোরাপুট জেলায় বক্সাইট খনি তৈরির জন্য আদিবাসীদের জমি দখলের ঘটনায় জালিয়াতির খবর প্রকাশ পেয়েছে। আল জাজিরার বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, প্রকল্পের সম্মতিপত্রে মৃত ব্যক্তিদের আঙুলের ছাপ ও শয্যাশায়ী মানুষের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ওড়িশার আদিবাসীদের জমি দখলের পেছনে মৃতদের আঙুলের ছাপ ও ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে
- 📌 ২৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের খনি প্রকল্পে আদিবাসীদের পবিত্র পাহাড় ও পরিবেশ ধ্বংসের আশঙ্কা
- 📌 আদিবাসীরা দাবি করেছেন, তাদের মৃত মা ও প্যারালাইসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আঙুলের ছাপ জালিয়াতির অংশ
- 📌 ভারতের আইন অনুযায়ী, আদিবাসীদের ৫০ শতাংশের সম্মতি ছাড়া জমি দখল করা বৈধ নয়
- 📌 আদানির সংস্থাকে দ্রুত বনভূমির মালিকানা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু গ্রামের প্রধানরা বলেছেন কোনো বৈধ মিটিং হয়নি
📰 বিস্তারিত
ভারতে আদানির মালিকানাধীন ‘কলিঙ্গ অ্যালুমিনা লিমিটেড’ ২৪ মিলিয়ন ডলারের বক্সাইট খনি প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে আদিবাসীদের জমি দখলের ঘটনায় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ওড়িশার কোরাপুট জেলায় এই প্রকল্পের জন্য শত শত আদিবাসীর ভুয়া স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় আদিবাসীরা জানান, প্রকল্পের সম্মতিপত্রে মৃত ব্যক্তিদের আঙুলের ছাপ ও শয্যাশায়ী মানুষের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
বলদা গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, তার মা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মারা গেছেন, অথচ তার মৃত মা নিজে এসে সই করার ছবি নথিপত্রে দেখানো হয়েছে। একইভাবে, বছর পাঁচেক ধরে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়ে থাকা মানুষের আঙুলের ছাপও জালিয়াতির অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। অনেকে দাবি করেছেন, সরকারি অন্য কাজের জন্য সাদা কাগজে সই নিয়ে পরে তা গোপনে খনি প্রকল্পের সম্মতিপত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
আদিবাসীরা বলছেন, তাদের পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ও পবিত্র পাহাড় আদানির হাতে তুলে দেওয়া হবে না। তারা দাবি করছেন, জমি হারানোর পাশাপাশি পরিবেশ ধ্বংসের আশঙ্কায় আদালতের দুয়ারে কড়া নাড়ছেন। তবে আদানি গ্রুপ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা মুখ খোলেনি।
"আমাদের পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি আর পবিত্র বন তারা আদানির হাতে তুলে দেবেন না। জালিয়াতি করে যাই করা হোক না কেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওড়িশা, কোরাপুট জেলা, ভারতে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আদিবাসীরা, গৌতম আদানি, নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ মিলিয়ন ডলার (প্রকল্পের মূল্য), ৫০ শতাংশ (আইনানুযায়ী সম্মতির হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!