📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৯/১১-এর ভয়াবহ স্মৃতি: এক ইরানি অধ্যাপকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি

৯/১১-এর ভয়াবহ স্মৃতি: এক ইরানি অধ্যাপকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৯/১১-এর দিনে নিউইয়র্কে টুইন টাওয়ার আক্রমণের সাক্ষী হয়ে ওঠেন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানি অধ্যাপক হামিদ দাবাশি। তিনি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও স্মৃতির কথা আল-জাজিরার একটি নিবন্ধে বর্ণনা করেছেন, যা অনুবাদ করেছেন খলীলুল্লাহ মুহাম্মাদ বায়েজীদ

৯/১১-এর ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী হয়ে ওঠেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক ইরানি অধ্যাপক। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরান স্টাডিজ ও তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের হাগোপ কেভোরকিয়ান অধ্যাপক হামিদ দাবাশি ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সকালে টুইন টাওয়ার আক্রমণের সাক্ষী হন। সেই দিনের অপূরণীয় স্মৃতি তিনি ২০২১ সালে আল-জাজিরার একটি নিবন্ধে বর্ণনা করেছেন, যা অনুবাদ করেছেন খলীলুল্লাহ মুহাম্মাদ বায়েজীদ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯/১১-এর দিন নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসায় থাকা হামিদ দাবাশি টুইন টাওয়ার আক্রমণের খবর পান ল্যান্ডলাইনের মাধ্যমে, যখন টেলিভিশনে ধ্বংসের দৃশ্য দেখা যায়।
  • 📌 স্মৃতির পটে ভেসে উঠেছিল ১৫ এপ্রিলের ঘটনা, যখন তিনি বড় মেয়ে পার্ডিসের জন্মদিনে টাওয়ারের শীর্ষে অবস্থিত ‘উইন্ডোজ অন দ্য ওয়ার্ল্ড’ রেস্তোরাঁতে গিয়েছিলেন।
  • 📌 শহরটি নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে, রাস্তাঘাট ফাঁকা, মানুষের মধ্যে ভয় ও হতাশার অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে।
  • 📌 শোক প্রকাশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরির সিঁড়িতে নিজেদের ভয় ও দুশ্চিন্তার ছবি আঁকেন, যা জীবিতদের জন্য শোকের এক পবিত্র আচার হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
  • 📌 অধ্যাপক ওমর খৈয়ামের কবিতার পঙ্ক্তি আওড়ান, যেখানে জীবনের অপূর্ণতা ও ধুলায় মিশে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকালে, হামিদ দাবাশি নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আপার ওয়েস্ট সাইডে অবস্থিত তাদের বাসায় ঘুম থেকে উঠেন। সেই সময়ে তাদের বাসা ছিল শহরের ব্যস্ত কেন্দ্র থেকে দূরে, একটি শান্ত ও মনোরম এলাকা। সেখানে ল্যান্ডফোনের বেজে ওঠা তাদেরকে সতর্ক করে দেয় যে, ম্যানহাটানে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। ফোনের ওপারে থাকা বন্ধু উদ্বেগের সাথে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি ঠিক আছে কি না। দাবাশি বলেন, তিনি ভালো আছেন, কিন্তু টেলিভিশন চালু করার পর দেখেন, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে বিমান আঘাত হেনেছে এবং ভবন দুটি ধসে পড়ছে।

দাবাশির স্মৃতিতে ভেসে উঠে সেই বছরের ১৫ এপ্রিলের ঘটনা। সেই দিন তিনি বড় মেয়ে পার্ডিসের জন্মদিন উদযাপন করতে তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন টাওয়ারের শীর্ষে অবস্থিত ‘উইন্ডোজ অন দ্য ওয়ার্ল্ড’ রেস্তোরাঁয়ে। সেখানে তারা কাছের নেওয়ার্ক বিমানবন্দরে বিমানগুলোকে ওঠানামা করতে দেখেছিলেন। সেই মুহূর্তে দাবাশি মনে করেছিলেন, “অদ্ভুত না? বিমানগুলোকে আমরা নিজেদের পায়ের নিচ দিয়ে ওঠানামা করতে দেখছি!”

৯/১১-এর দিনে শহরটি নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে। রাস্তাঘাট ফাঁকা, মানুষের মধ্যে ভয় ও হতাশার অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে। দাবাশি ও তার সঙ্গীরা শহরের কেন্দ্রের দিকে হাঁটতে শুরু করেন। ব্রডওয়ে বাড়িগুলো দেখে মনে হয়েছিল, যেন সেই শিশুরা যারা মা-বাবাকে হারিয়েছে কিন্তু তারা এখনো সেই খবর জানেনি। সেই দিনের স্মৃতি থেকে তিনি ওমর খৈয়ামের কবিতার পঙ্ক্তি আওড়ান:

"আহ! ধুলায় মিশে যাওয়ার আগেই, জীবন যতটা পারা যায় উপভোগ করে নাও। তারপর ধুলা—স্তূপীকৃত ধুলা, ধুলার নিচেই শয়ন, মদ, গান ও গায়ক কেউই থাকবে না সে জীবনে।"

৯/১১-এর পরদিন বুধবার, দাবাশির ক্লাসে শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরির সিঁড়িতে নিজেদের ভয় ও দুশ্চিন্তার ছবি আঁকতে শুরু করেন। এই শোক প্রকাশের মাধ্যমে তারা জীবিতদের জন্য শোক প্রকাশ করছিলেন, যা জীবনের অনন্তকালে রূপান্তর উদ্যাপনের পবিত্র আচার হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র; কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, নিউইয়র্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হামিদ দাবাশি (ইরানি অধ্যাপক), খলীলুল্লাহ মুহাম্মাদ বায়েজীদ (অনুবাদক), পার্ডিস (দাবাশির মেয়ে)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ সেপ্টেম্বর ২০০১, ১৫ এপ্রিল ২০০১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖