📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৮৩ লাখ শরণার্থীর জীবন ঝুঁকিতে: তহবিল সঙ্কটে জাতিসঙ্ঘের সহায়তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে

৮৩ লাখ শরণার্থীর জীবন ঝুঁকিতে: তহবিল সঙ্কটে জাতিসঙ্ঘের সহায়তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসঙ্ঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর সতর্ক করেছে, তহবিল সঙ্কটে ৮৩ লাখ শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের জরুরি সহায়তা বন্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২৫ সালে সংস্থাটির তহবিল কমে ৩৯০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৪ সালের ৫২০ কোটি ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হ্রাস

জাতিসঙ্ঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) সতর্ক করেছে, তীব্র অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে বিশ্বের প্রায় ৮৩ লাখ শরণার্থী ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের জরুরি সহায়তা বন্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে। সংস্থাটি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে চলা অর্থসঙ্কটের কারণে শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৮৩ লাখ শরণার্থী** সহায়তা বন্ধের ঝুঁকিতে, তাদের মধ্যে ১৯ হাজার শরণার্থী চাদে নিবন্ধন বিলম্বের কারণে সেবা পাচ্ছেন না
  • 📌 **২০২৫ সালে ইউএনএইচসিআর** ৮৫০ কোটি ডলারের প্রয়োজন ছিল, কিন্তু জুলাইয়ের শেষ নাগাদ মাত্র ৩২ শতাংশ অর্থ (২৭০ কোটি ডলার) পেয়েছে
  • 📌 **২০২৫ সালের শেষে** বিশ্বে ১১ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ছিলেন, যার মধ্যে ৩ কোটি ৫৬ লাখ শরণার্থী ইউএনএইচসিআরের আওতাধীন
  • 📌 **ইউএনএইচসিআর** ২০২৫ সালে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে, যা মোট কর্মীদের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি
  • 📌 **সুদানে** যৌন সহিংসতার শিকার হাজার হাজার মানুষ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুরা সুরক্ষা সেবা হারাতে পারে

📰 বিস্তারিত

ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০২৪ সালে সংস্থাটির তহবিল ছিল ৫২০ কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে কমে ৩৯০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে শরণার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রমের আওতা সীমিত হয়ে পড়ছে। সংস্থাটি বলেছে, শরণার্থীদের নিবন্ধন বন্ধ হয়ে গেলে বা শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম না থাকলে, বাস্তুচ্যুত হওয়ার আগের ঝুঁকিগুলো আবারো তাদের জীবনে ফিরে আসতে পারে।

ডমিনিক হাইড, ইউএনএইচসিআরের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক প্রধান, বলেছেন, “সুরক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকাল কমিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। একটি নির্দিষ্ট সীমার নিচে নেমে গেলে শুধু কমসংখ্যক মানুষ সেবা পাবে—বিষয়টি এমন নয়; বরং পুরো সেবাব্যবস্থাই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।”

চাদে তিন লাখ ১৯ হাজার শরণার্থী নিবন্ধন-সংক্রান্ত বিলম্বের কারণে সেবা পাচ্ছেন না। একই দেশে শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হতে পারে প্রায় দুই লাখ ৩৩ হাজার শিশু। ইথিওপিয়ায় শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। সুদানে যৌন সহিংসতার শিকার হাজার হাজার মানুষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুরা গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা সেবা হারাতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউএনএইচসিআর।

"শরণার্থীদের নিবন্ধন বন্ধ হয়ে গেলে বা শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম না থাকলে, বাস্তুচ্যুত হওয়ার আগে মানুষ যে ঝুঁকি—সহিংসতা, শোষণ ও নির্যাতন—থেকে পালিয়ে এসেছিল, সেই ঝুঁকিগুলো আবারো তাদের জীবনে ফিরে আসে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (চাদ, ইথিওপিয়া, সুদান, ইরাক, সিরিয়া, ভেনিজুয়েলা, ইউক্রেন, সিরিয়া, আফগানিস্তান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডমিনিক হাইড (ইউএনএইচসিআর বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক প্রধান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩ লাখ শরণার্থী, ৩৯০ কোটি ডলার তহবিল, ৮৫০ কোটি ডলার প্রয়োজন, ৩২ শতাংশ অর্থ পেয়েছে, ১১ কোটি ৭৮ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖