📌 ইউনিসেফের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বিশ্বের ২১টি দেশের প্রায় ২ কোটি শিশু প্রতি বছর অনলাইনে যৌন নির্যাতন বা শোষণের শিকার হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিশুদের ওপর যৌন হেনস্থার ঘটনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিশ্বের ২১টি দেশের প্রায় দুই কোটি শিশু প্রতি বছর অনলাইনে যৌন নির্যাতন বা শোষণের শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ। ২০২০ থেকে ২০২১ এবং পুনরায় ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পরিচালিত জরিপে অংশ নেওয়া ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনের একজন অনলাইনে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউনিসেফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের ২১টি দেশের প্রায় দুই কোটি শিশু প্রতি বছর অনলাইনে যৌন নির্যাতন বা শোষণের শিকার হচ্ছে
- 📌 জরিপে অংশগ্রহণকারী ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনের একজন অনলাইনে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছে
- 📌 সামাজিক মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে সংঘটিত যৌন নির্যাতনের ঘটনার মধ্যে ৬০ শতাংশেরও বেশি ঘটনা ঘটেছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এবং টিকটকে
- 📌 প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যৌন নির্যাতনের মাত্র ১ শতাংশ ঘটনা কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করা হয়েছে
- 📌 ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল বলেন, "প্রতিবেদনটি একটি বেদনাদায়ক বাস্তবতা উন্মোচন করেছে। অধ্যয়ন করা দেশগুলোতে দুই কোটিরও বেশি শিশু অনলাইনে অবাঞ্ছিত যৌন বিষয়বস্তু বা শোষণের শিকার হয়েছে, প্রায়শই সেই ডিজিটাল স্থানগুলোতে যেখানে তারা শেখে, খেলে এবং বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করে।"
📰 বিস্তারিতইউনিসেফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর শিশুরা অনলাইনে যৌন নির্যাতনের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। জরিপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইথিওপিয়া, কেনিয়া, মোজাম্বিক, নামিবিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, আর্মেনিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর ম্যাসিডোনিয়া, সার্বিয়া এবং পাকিস্তান।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলো প্রায়শই স্কুল বা স্থানীয় এলাকার মতো জনসমাগমস্থল থেকে শুরু হয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে বিস্তৃত হয়। সামাজিক মাধ্যম ও মেসেজিং প্ল্যাটফর্মগুলো যৌন নির্যাতনের বিভিন্ন পর্যায়কে সহজতর করে, যার মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক যোগাযোগ, সম্পর্ক গড়ে তোলা, যৌন প্রস্তাবনা, ছবি আদান-প্রদান, জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি, ব্ল্যাকমেইল এবং যৌন বিষয়বস্তুর অব্যাহত প্রচার।
ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল বলেন, "এই অভিজ্ঞতাগুলো শিশুদের গভীর মানসিক ও মানসিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক শিশুই নীরবে ভোগান্তি সহ্য করে, কারণ তারা জানেই না কোথায় সাহায্য চাইতে হবে। আমরা চোখ ফিরিয়ে থাকতে পারি না।"
"প্রতিবেদনটি একটি বেদনাদায়ক বাস্তবতা উন্মোচন করেছে। অধ্যয়ন করা দেশগুলোতে দুই কোটিরও বেশি শিশু অনলাইনে অবাঞ্ছিত যৌন বিষয়বস্তু বা শোষণের শিকার হয়েছে, প্রায়শই সেই ডিজিটাল স্থানগুলোতে যেখানে তারা শেখে, খেলে এবং বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করে। এই অভিজ্ঞতাগুলো শিশুদের গভীর মানসিক ও মানসিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক শিশুই নীরবে ভোগান্তি সহ্য করে, কারণ তারা জানেই না কোথায় সাহায্য চাইতে হবে। আমরা চোখ ফিরিয়ে থাকতে পারি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বের ২১টি দেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউনিসেফ নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কোটি শিশু, ২১টি দেশ, ৬০ শতাংশ ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!