📌 ঠান্ডা লাগলে হাঁচি আসার কারণ হলো নাসারন্ধ্রের ফুলে ওঠা। কিন্তু রাতে ঘুমের সময় ধুলাবালু কম ঢুকে হাঁচি না আসার কারণ। এয়ারকন্ডিশনড কক্ষে ঘুমালেও হাঁচি কমে যায়, কিন্তু যন্ত্র বন্ধ-চালু করলে ধুলা নাকে ঢুকতে পারে। বসন্তে ফুলের রেণু ছড়িয়ে পড়লে অ্যালার্জিপ্রবণ ব্যক্তিরা সারা রাত হাঁচিতে ভুগতে পারে
ঠান্ডা লাগলে নাক দিয়ে পানি ঝরতে থাকে এবং বারবার হাঁচি আসে। এই ঘটনার পিছনে রয়েছে নাসারন্ধ্রের ফুলে ওঠা। ঠান্ডায় বাতাসের সঙ্গে ধূলিকণা বা অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বস্তুকণা নাসারন্ধ্রে ঢুকলে ফুলে ওঠা অংশে আঘাত করে, যার ফলে স্পর্শানুভূতিতে হাঁচির সৃষ্টি হয়। তবে রাতে ঘুমের সময় এই ঘটনা ঘটে না। কারণ ঘুমের সময় ঘরের ভেতরে মানুষ কম চলাফেরা করে, ফলে বাতাসে ধূলিকণা ওড়ে না। ধুলাবালু মেঝেতে থিতিয়ে পড়ে, ফলে নাকের ভেতর ধূলিকণা ঢোকার সম্ভাবনা কমে যায়। এজন্য রাতে সাধারণত হাঁচি আসে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠান্ডায় নাসারন্ধ্র ফুলে ওঠা এবং ধূলিকণা নাকে ঢুকলে হাঁচি আসে
- 📌 রাতে ঘুমের সময় ঘরের ভেতরে কম চলাফেরা হওয়ায় বাতাসে ধূলিকণা কম ওড়ে
- 📌 এয়ারকন্ডিশনড কক্ষে ঘুমালে হাঁচি কমে যায়, কারণ ফিল্টার ধুলাবালু বাধা দেয়
- 📌 এয়ারকন্ডিশন বন্ধ-চালু করলে মেঝেতে থিতিয়ে পড়া ধুলা নাকে ঢুকে হাঁচির কারণ হতে পারে
- 📌 বসন্তে বাতাসে ফুলের রেণু ছড়িয়ে পড়লে অ্যালার্জিপ্রবণ ব্যক্তিরা সারা রাত হাঁচিতে ভুগতে পারে
📰 বিস্তারিত
রাতে ঘুমের সময় হাঁচি না আসার একটি প্রধান কারণ হলো ঘুমের সময় ঘরের ভেতরে কম চলাফেরা। ফলে বাতাসে ধূলিকণা ওড়ে না। বাতাসে আলোড়ন না থাকলে ধুলাবালু মেঝেতে থিতিয়ে পড়ে, যার ফলে নাকের ভেতর ধূলিকণা ঢোকার আশঙ্কা কমে যায়। এজন্য রাতে সাধারণত হাঁচি আসে না। এমনকি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে (এয়ারকন্ডিশনড) ঘুমালেও হাঁচি আসে না, কারণ এয়ারকন্ডিশন যন্ত্রে ফিল্টার থাকে যেন ধুলাবালু না ঢুকতে পারে। তবে এয়ারকন্ডিশন বন্ধ করে একটু পরে আবার চালু করলে মেঝেতে থিতিয়ে পড়া ধুলাবালু আলোড়িত হয় এবং তা নাকে ঢুকে হাঁচির কারণ ঘটাতে পারে। তবে এটিকে ঘুমের মধ্যে হাঁচি বলা যায় না।
অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে দরজা-জানালা খুলে দিলে দমকা হওয়ায় হাঁচি আসে। বসন্তকালে বাতাসে ফুলের রেণু ছড়িয়ে থাকে। এই সময় অ্যালার্জিপ্রবণ ব্যক্তিরা হাঁচিতে কাবু হয়ে পড়েন। তাদের অনেকের হয়তো সারা রাতই হাঁচি আসে। সম্ভবত তখন তাদের পক্ষে ঘুমিয়ে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।
"বসন্তে বাতাসে ফুলের রেণু ছড়িয়ে থাকে। তখন অ্যালার্জিপ্রবণেরা হাঁচিতে কাবু হয়ে পড়েন। তাঁদের অনেকের হয়তো সারা রাতই হাঁচি আসে। সম্ভবত তখন তাঁর পক্ষে ঘুমিয়ে থাকা কঠিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঘর, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষ (এয়ারকন্ডিশনড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যালার্জিপ্রবণ ব্যক্তিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০ (ধুলাবালু কম ঢুকলে হাঁচি না আসার কারণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!