📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে দেশব্যাপী হামের বিশেষ টিকা অভিযান: ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লক্ষ্য

৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে দেশব্যাপী হামের বিশেষ টিকা অভিযান: ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লক্ষ্য

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন, যা ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এই অভিযানে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে টিকা দেওয়া হবে, বিশেষত যারা নিয়মিত টিকাদানে বাদ পড়েছেন। শিশু বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা মা-বাবাদের শিশুদের টিকা নিতে উৎসাহিত করছেন

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে, যা ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এই অভিযানে দেশব্যাপী ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে লক্ষ্য করে টিকা দেওয়া হবে। বিশেষভাবে, যেসব শিশু নিয়মিত টিকাদানে বাদ পড়েছেন তাদেরও টিকার আওতায় আনা হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মা-বাবাদের শিশুদের টিকা নিতে জোর দিচ্ছেন, কারণ শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির জন্য টিকা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন, যা ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
  • 📌 এই অভিযানে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে টিকা দেওয়া হবে, বিশেষত নিয়মিত টিকাদানে বাদ পড়া শিশুদের লক্ষ্য করা হবে।
  • 📌 ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল আগের অভিযানে, যা ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ২০ মে পর্যন্ত চলেছিল।
  • 📌 শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হালিমা বলেছেন, ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের এমআর ভ্যাকসিন অবশ্যই নিতে হবে।
  • 📌 বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেছেন, এই অভিযানকে "মপআপ প্রোগ্রাম" বলা হয়, যেখানে বাদ পড়া বা লজিস্টিক সমস্যায় পড়া শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মা-বাবাদের শিশুদের টিকা নিতে জোর দিচ্ছেন। শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হালিমা গণমাধ্যমকে জানান, ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের এমআর ভ্যাকসিন অবশ্যই নিতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের ইপিআই শিডিউল অনুযায়ী টিকা দেওয়া হবে এবং অতিরিক্ত ডোজও রাখা হয়েছে। তিনি মা-বাবাদের আপনাদের বাচ্চাদের অবশ্যই টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসতে বলেছেন এবং হাম-রুবেলার ভ্যাকসিন নিতে জোর দিয়েছেন।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেছেন, এই অভিযানকে "মপআপ প্রোগ্রাম" বলা হয়। মপআপ মানে হচ্ছে যারা বাদ পড়েছেন বা জানতেন না বা কোনো কারণে আসতে পারেননি, তাদের ক্যাচ করা। তিনি বলেছেন, এই অভিযান একটি বিরাট ফ্যাক্টর, কারণ এটি বাদ পড়া শিশুদের টিকা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।

এই বছরের এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি চলেছিল। সেই অভিযানে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল।

"আপনারা আপনাদের বাচ্চাদের অবশ্যই টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন এবং হাম-রুবেলার যে ভ্যাকসিনটা, অবশ্যই সবাই দেবেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সারা বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. হালিমা, অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত, ১ কোটি ৮০ লাখ শিশু

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖