📌 ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২০ জন শিশুর গবেষণা থেকে দেখা গেছে, দিনে ৪ ঘণ্টা বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করায় তাদের ৮৩% চোখের সমস্যা ও ৮০% মাথাব্যথা ভোগ করছে। শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষায় স্ক্রিন সময় সীমিত রাখা জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা জানিয়েছেন
শিশুদের শান্ত করতে ফোন বা ট্যাব ব্যবহার করা একটি সাধারণ দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু গবেষণা থেকে প্রকাশ পেয়েছে, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে থাকায় তাদের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ঢাকার ছয়টি স্কুলের ৪২০ জন ছোট বয়সী শিশুর উপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে গড় ৪ ঘণ্টা ৩৬ মিনিটের বেশি সময় স্ক্রিনে কাটানোর কারণে তাদের চোখ ও মাথা ব্যথার সমস্যা বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার ৬টি স্কুলের ৪২০ জন (৬-১৪ বছর) শিশুর গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৩.৩% শিশু দিনে ২ ঘণ্টা থেকে বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করে
- 📌 গড় স্ক্রিন ব্যবহারের সময়: দিনে ৪ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট
- 📌 ৩৫.৭% শিশু চোখের সমস্যা, ৮০% মাথাব্যথা ভোগ করছে
- 📌 বেশি স্ক্রিন ব্যবহারের সঙ্গে ঘুমের সমস্যা ও মানসিক-শারীরিক সমস্যার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে
- 📌 শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষায় স্ক্রিন ব্যবহারের সময় সীমিত রাখা জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
আজকাল শিশুদের শান্ত করতে বাবা-মা তাদের ফোন বা ট্যাব তুলে দেন। কার্টুন বা ছড়া দেখতে দেখতে শিশু শান্ত হয়ে যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে থাকা তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আইসিডিডিআর,বিরের গবেষণায় দেখা গেছে, ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২০ জন শিশুর মধ্যে ৮৩.৩% দিনে দুই ঘণ্টা থেকে বেশি সময় স্ক্রিনে কাটায়। তাদের গড় স্ক্রিন ব্যবহারের সময় দিনে প্রায় ৪ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট।
গবেষণায় অংশ নেওয়া শিশুদের মধ্যে ৩৫.৭% চোখের সমস্যা এবং ৮০% মাথাব্যথার কথা জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশি সময় স্ক্রিন ব্যবহারের সঙ্গে চোখের সমস্যা, ঘুমের সমস্যা এবং কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে এসব সমস্যার একমাত্র কারণ স্ক্রিন ব্যবহার, এমনটি গবেষণা প্রমাণ করেনি।
বাবা-মা ও বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা জানাচ্ছেন, শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য খেলাধুলা, পর্যাপ্ত ঘুম, পড়াশোনা, সৃজনশীল কাজ এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো জরুরি। ফোনের বিকল্প হিসেবে শিশুর হাতে বই, কাগজের খেলনা বা ছবি আঁকার সরঞ্জাম তুলে দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি তাদের খেলাধুলা ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও দিতে হবে।
"ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ। তবে প্রযুক্তি যেন শৈশবের খেলাধুলা, কৌতূহল ও আনন্দের জায়গা দখল করে না নেয়, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (৬টি স্কুল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ৪২০ জন শিশু (৬-১৪ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩.৩% (স্ক্রিন ব্যবহারকারী), ৩৫.৭% (চোখের সমস্যা), ৮০% (মাথাব্যথা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!