📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্কুল ভীতি ও বুলিং থেকে শিশুকে রক্ষা করতে পারেন অভিভাবকরা: মনোরোগ বিশেষজ্ঞের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

স্কুল ভীতি ও বুলিং থেকে শিশুকে রক্ষা করতে পারেন অভিভাবকরা: মনোরোগ বিশেষজ্ঞের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাহেনুল ইসলাম স্কুল ভীতি ও বুলিং থেকে শিশুদের মানসিক ট্রমা রোধের উপায় আলোচনা করেছেন। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া শিশুদের ওষুধ দেওয়া থেকে সতর্ক থাকারও জোর দিয়েছেন তিনি

স্কুলে ভীতিকর পরিস্থিতি বা বুলিংয়ের শিকার শিশুদের মানসিক ট্রমা দীর্ঘকাল পর্যন্ত তাদের সাথে থাকে। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে অভিভাবকদের শিশুর সাথে খোলামেলা কথা বলার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাহেনুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় ‘শিশুদের স্কুল ভীতি: অভিভাবকের করনীয়’ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রথম আলো ট্রাস্টের সভায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাহেনুল ইসলাম স্কুল ভীতি ও বুলিং সম্পর্কে আলোচনা করেছেন
  • 📌 শিশুরা স্কুল না যাওয়ার বাহানা হিসেবে ‘পেট ব্যথা’ বলে থাকলে তা শারীরিক নয়, বরং মানসিক ট্রমার প্রকাশ
  • 📌 বুলিংয়ের শিকার ও বুলিংকারী শিশুদের উভয়েরই মানসিক সমস্যা রয়েছে, তাই অভিযোগ না করে সাইকোলজিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্টদের সহায়তা নেওয়া উচিত
  • 📌 শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে
  • 📌 শৈশবের মানসিক ট্রমা বৈজ্ঞানিকভাবে সমাধান করা গেলে তা ভবিষ্যতে মানসিক রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে

📰 বিস্তারিত

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাহেনুল ইসলাম বলেছেন, স্কুলে বুলিংয়ের শিকার শিশুদের মানসিক ট্রমা দীর্ঘকাল পর্যন্ত তাদের সাথে থাকে। এই ট্রমা দূর করতে অভিভাবকদের শিশুর সাথে ঘরে বসে খোলামেলা কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, অনেক শিশু স্কুলে না যাওয়ার বাহানা হিসেবে ‘পেট ব্যথা’ বলে থাকেন। কিন্তু এটি শুধুমাত্র অভিনয় নয়, বরং তাদের মানসিক ট্রমার শারীরিক প্রকাশ।

ডা. রাহেনুল ইসলাম আরও বলেছেন, বুলিংয়ের শিকার শিশুদের পাশাপাশি বুলিংকারী শিশুদেরও মানসিক সমস্যা রয়েছে। তাই অভিযোগ না করে সাইকোলজিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্টদের সমন্বয়ে যৌথ উদ্যোগে শিশুদের ‘সেলফ-সিস্টেম’ বা আত্মরক্ষার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। তিনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া শিশুদের ওষুধ দেওয়া থেকে সতর্ক করে বলেছেন, শৈশবের এই ট্রমা বৈজ্ঞানিক উপায়ে সমাধান করা গেলে তা শিশুর ভবিষ্যতের জন্য ‘মানসিক ভ্যাকসিনের’ মতো কাজ করবে, যা তাকে পরিণত বয়সে বিভিন্ন মানসিক রোগ থেকে রক্ষা করবে।

"শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। শৈশবের মানসিক ট্রমা বৈজ্ঞানিকভাবে সমাধান করা গেলে তা ভবিষ্যতে মানসিক রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অনলাইন (প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. রাহেনুল ইসলাম (মনোরোগ বিশেষজ্ঞ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জানুয়ারি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖