📌 ঢাকার ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২০ শিশুর গবেষণায় দেখা গেছে, ৫৬% শিশু অভিভাবকের নজরদারি ছাড়া ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে। তাদের মধ্যে মাথাব্যথা, ঝাপসা দেখা এবং চোখের সমস্যা বেশি দেখা যায়। গবেষকরা স্বাস্থ্য ঝুঁকির সতর্কতা জারি করেছেন
ঢাকার স্কুলশিশুদের মধ্যে ডিজিটাল যন্ত্রের অতিরিক্ত ব্যবহার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করছে। গবেষণা থেকে দেখা গেছে, শিশুদের মাথাব্যথা, চোখের সমস্যা এবং মানসিক আসক্তির মতো সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ঢাকার ছয়টি স্কুলের ৪২০ জন ছয় থেকে চৌদ্দ বছর বয়সী শিশুর উপর করা গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২৩৪ জন বা মোট শিশুদের ৫৬ শতাংশ অভিভাবকের নজরদারি ছাড়া ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২০ শিশুর গবেষণায় দেখা গেছে, ৫৬ শতাংশ শিশু অভিভাবকের নজরদারি ছাড়া ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে
- 📌 অভিভাবকের নজরদারি ছাড়া ব্যবহারকারীদের গড় দৈনিক স্ক্রিন সময় ছিল ৪ ঘণ্টা ৬ মিনিট, নজরদারি থাকা শিশুদের ক্ষেত্রে ৪ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
- 📌 গবেষণায় অংশ নেওয়া ৪২০ জন শিশুর মধ্যে ৩৩৬ জনের মাথাব্যথা, ৩৯১ জনের ঝাপসা দেখার সমস্যা এবং ৩২৭ জনের চোখ শুষ্ক বা ব্যথার সমস্যা দেখা গেছে
- 📌 গবেষণায় অংশ নেওয়া শিশুদের মধ্যে অভিভাবকের নজরদারি ছাড়া স্ক্রিন ব্যবহার করা শিশুদের মাথাব্যথা বেশি
📰 বিস্তারিত
২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত চলা এই গবেষণায় ঢাকার তিনটি বাংলা মাধ্যম এবং তিনটি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, অভিভাবকের নজরদারি ছাড়া ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করা শিশুদের মাথাব্যথার হার বেশি। গবেষকরা বলছেন, শিশুদের ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারের ধরন এবং স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আরও নজর দেওয়া প্রয়োজন।
গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রতিবেদকের মতে, তিনি নিজেও অনেক শিশুকে ফোনে আসক্ত দেখেছেন। তিনি বলেন, দ্রুতই এর লাগাম টেনে ধরা দরকার। প্রতিবেদক মেহেরপুর জেলার বাসিন্দা এবং বয়স ১৭ বছর।
গবেষণায় দেখা গেছে, অভিভাবকের নজরদারি থাকা শিশুদের গড় দৈনিক স্ক্রিন ব্যবহারের সময় ছিল ৪ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, যেখানে নজরদারি ছাড়া ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে তা ছিল ৪ ঘণ্টা ৬ মিনিট।
"শিশুদের ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারের ধরন এবং স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আরও নজর দেওয়া প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গবেষক, শিশু, অভিভাবক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২০ জন শিশু, ২৩৪ জন নজরদারি ছাড়া ব্যবহারকারী, ৫৬ শতাংশ, ৪ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, ৪ ঘণ্টা ৬ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!