📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশুকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া দরকার। তিনি টিকার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও কোল্ড চেইন ব্যবস্থার গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে ইপিআই ও ভিপিডি সার্ভেইলেন্সের যৌথ স্বাধীন পর্যালোচনা ২০২৬-এর ফলাফল অবহিতকরণ’ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধে গ্রাম ও শহরের সব শিশুকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকার আওতায় আনতে হবে। তিনি দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশুকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া দরকার
- 📌 টিকার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও কোল্ড চেইন ব্যবস্থার নিয়মিত পর্যবেক্ষণে জোর দিয়েছেন তিনি
- 📌 ১৯৭৯ সাল থেকে চলমান ইপিআই কর্মসূচি শিশুদের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে
- 📌 সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে
- 📌 ১ লাখ ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং কর্মী’ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘টিকা সংরক্ষণে কোল্ড চেইন ব্যবস্থা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সরবরাহ থেকে শুরু করে প্রয়োগ পর্যন্ত টিকার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, টিকার কার্যকারিতা ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ও মহামারি থেকে সুরক্ষিত রাখতে টিকাদান কর্মসূচির বিকল্প নেই।’
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেন, ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে নগরবাসী—সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করছে। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আরও এক লাখ ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং কর্মী’ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
সাখাওয়াত হোসেন টিকাদান কর্মসূচি ও রোগ নজরদারির ফলাফল মূল্যায়নকে দেশের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও, তিনি গ্যাভি, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
"ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ও মহামারি থেকে সুরক্ষিত রাখতে টিকাদান কর্মসূচির বিকল্প নেই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ অক্টোবর, ১ লাখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!