📌 রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন ২৮ জানুয়ারি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ৮ মাস পরও মেরামত না হওয়ায় রোগীদের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এক্স-রে মেশিন ভাড়া নিয়ে আসতে হয়, যা খরচ পাঁচ থেকে সাত গুণ বাড়িয়ে দেয়। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ভিডিওতে দেখা ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেনি
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন ২৮ জানুয়ারি অজ্ঞাত ব্যক্তি পুড়িয়ে দিয়েছিলেন। ৮ মাস পরও এই মেশিন মেরামত করা হয়নি, ফলে রোগীদের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এক্স-রে মেশিন ভাড়া নিয়ে আসতে হয়। এতে খরচ পাঁচ থেকে সাত গুণ বেড়ে যায়। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ জানুয়ারি ভোরে রাজশাহী মেডিকেলের পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনে আগুন লাগিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তি মেশিনটি সম্পূর্ণ অকার্যকর করে দেন। মেশিনটির মূল্য ছিল প্রায় ২০ লাখ টাকা।
- 📌 ৮ মাস পরও মেশিন মেরামত করা হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপকে (নিমিউ) একাধিকবার চিঠি দিয়েও সাড়া পাননি।
- 📌 রোগীদের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এক্স-রে মেশিন ভাড়া নিয়ে আসতে হয়, যা খরচ পাঁচ থেকে সাত গুণ বাড়িয়ে দেয়।
- 📌 পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেনি। হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, অজ্ঞাত ব্যক্তি ভোর ৪:০৮ মিনিটে মেশিনে আগুন লাগিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
- 📌 হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল-ইসলাম সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন না। হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ জানান, মেশিনটি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় কোনো আসামি শনাক্ত করা যায়নি।
- 📌 ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়, যারা অগ্নিকাণ্ডের কারণ, দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধের সুপারিশ করতে বলা হয়।
- 📌 হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগে দুটি পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন ছিল। একটি পুরোনো মডেলের আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, আরেকটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালে কোনো পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন নেই।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন ২৮ জানুয়ারি ভোরে অজ্ঞাত ব্যক্তি পুড়িয়ে দিয়েছিলেন। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, অজ্ঞাত ব্যক্তি ভোর ৪:০৮ মিনিটে মেশিনে আগুন লাগিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। মেশিনটি সারা দিন ব্যবহার শেষে রেডিওলজি বিভাগে নিয়ে গিয়ে রাখার কথা ছিল, কিন্তু পোড়ানোর বেশ কয়েক দিন আগে থেকে রাতের বেলা ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নার্সিং ডেস্কের পাশে রাখা হতো। সেখানেই পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজের বরাত দিয়ে এজাহারে বলা হয়েছে, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের সাহায্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও মেশিনটি সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে যায়। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এক্স–রে মেশিনে আগুন দেওয়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, এক্স-রে মেশিনটি মেরামত করার জন্য ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপকে (নিমিউ) একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা সাড়া দেয়নি। হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ জানান, মেশিনটি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় কোনো আসামি শনাক্ত করা যায়নি।
রোগীদের জন্য বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এক্স-রে মেশিন ভাড়া নিয়ে আসতে হয়, যা খরচ পাঁচ থেকে সাত গুণ বাড়িয়ে দেয়। হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগে দুটি পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন ছিল। একটি পুরোনো মডেলের আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, আরেকটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালে কোনো পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন নেই।
"মেশিনটি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় কোনো আসামি শনাক্ত করা যায়নি। যে ব্যক্তিকে ভিডিওতে দৌড়ে যেতে দেখা গেছে, তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।"
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল-ইসলাম সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন না। তবে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটি অগ্নিকাণ্ডের কারণ, দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধের সুপারিশ করতে বলা হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসপাতালের রোগীরা, নার্স, পুলিশ, হাসপাতালের পরিচালক, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ লাখ টাকা (ক্ষতি), ৮ মাস (মেরামত না হওয়া), ২৮ জানুয়ারি (ঘটনা), ৩১ নম্বর ওয়ার্ড, ৯ সদস্যের কমিটি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!