📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজবাড়ী হাসপাতালে একই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীর চিকিৎসা: মশারি ছাড়া ঝুঁকি

রাজবাড়ী হাসপাতালে একই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীর চিকিৎসা: মশারি ছাড়া ঝুঁকি

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীদের একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মশারি না থাকায় রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে

রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মশারি না থাকায় রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। জেলা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসে ৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ২৬৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ছয়জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে দুজন রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে, তিনজন বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং একজন গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীদের একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, মশারি ছাড়া
  • 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ছয়জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে
  • 📌 সেপ্টেম্বর মাসে ৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, বছর জুড়ে মোট ২৬৫ জন
  • 📌 রোগীরা মশারি না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা তুলেছেন
  • 📌 হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড নেই, কিন্তু নির্দিষ্ট কর্নারে চিকিৎসা দেওয়া হয়

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ও বিকেলে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের ওয়ার্ডে সরেজমিনে দেখা যায়, ডেঙ্গু রোগীদের শয্যার পাশে মশারি টাঙানো নেই। কল্যাণপুরের তাজেল বলেন, ডেঙ্গু পরীক্ষায় পজিটিভ এসেছে, কিন্তু হাসপাতাল থেকে মশারি দেওয়া হয়নি। তিনি উদ্বিগ্নভাবে বলেছেন, ‘আমার স্ত্রীও এখানে রয়েছে। ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কায় আমি খুব টেনশনে আছি।’ বহরপুরের সালমানও অভিযোগ করেছেন, ‘এখানে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড নেই। মশারি দেওয়া হয়নি, আর টাঙানোর জায়গাও নেই।’

সায়েদ, যিনি অসুস্থ বাবাকে নিয়ে কালুখালী থেকে হাসপাতালে এসেছেন, বলেছেন, ‘এখানে সাধারণ রোগী ও ডেঙ্গু রোগী একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছে। ডেঙ্গু রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আলাদা ব্যবস্থা করা উচিত।’ ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা সিনিয়র নার্স স্বপ্না জানান, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম, আজই কাজে যোগ দিয়েছি। মশারি দেওয়া হয়েছে কি না, সেটা আমি জানি না।’

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বেলায়েত বলেছেন, ‘ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড নেই, তবে একটি কর্নার করা হয়েছে। সব রোগীকে মশারি দেওয়া হয়েছে এবং ব্যবহারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। তবে তারা ব্যবহার করছেন কি না, সেটা আমি জানি না।’

"আমার সঙ্গে স্ত্রীও রয়েছে। তাকে নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। এখানে অনেক সাধারণ রোগীও চিকিৎসা নিচ্ছেন।" — তাজেল, কল্যাণপুর

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতাল, বালিয়াকান্দি ও গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাজেল (কল্যাণপুর), সালমান (বহরপুর), সায়েদ (কালুখালী), ডা. বেলায়েত (আরএমও), স্বপ্না (সিনিয়র নার্স)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ জন (সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গু রোগী), ২৬৫ জন (বছর জুড়ে ডেঙ্গু রোগী), ৬ জন (গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ডেঙ্গু রোগী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖