📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পিরোজপুরের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে ছয় বছর ধরে সিজার বন্ধ, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সেবা ব্যাহত

পিরোজপুরের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে ছয় বছর ধরে সিজার বন্ধ, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সেবা ব্যাহত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পিরোজপুরের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে ছয় বছর ধরে সিজার অপারেশন বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসক ও অবেদনবিদের ঘাটতির কারণে সেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে রাতের সেবাও নিশ্চিত নয়। গত এক মাসে ১৫ জন মা সিজার না হওয়ায় বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে বাধ্য হয়েছেন

পিরোজপুর সদরের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে ছয় বছর ধরে সিজার অপারেশন বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসক ও অবেদনবিদের ঘাটতির কারণে সেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে রাতের স্বাস্থ্যসেবাও নিশ্চিত নয়। গত এক মাসে ১৫ জন মা সিজার না হওয়ায় বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে বাধ্য হয়েছেন এবং প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পিরোজপুরের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে **৬ বছর ধরে সিজার অপারেশন বন্ধ** রয়েছে।
  • 📌 **৩৫ বছর বয়সী শাওন শেখের স্ত্রী** সিজার না হওয়ায় বেসরকারি ক্লিনিকে **২০ হাজার টাকা** খরচ করেছেন।
  • 📌 **গত এক মাসে ১৫ জন মা** সিজার না হওয়ায় বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
  • 📌 **২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর** থেকে সিজার বন্ধ থাকলেও **স্বাভাবিক প্রসবের ব্যবস্থা** রয়েছে।
  • 📌 **২০ শয্যার কেন্দ্রে** বর্তমানে **চিকিৎসক ও অবেদনবিদের ঘাটতি** রয়েছে।
  • 📌 **২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা** নিশ্চিত নয়, কারণ **নিরাপত্তা প্রহরী না থাকায়** রাতের সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
  • 📌 **কেন্দ্রের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ** ঘোষণা করা হয়েছে, তবে **৫০ শয্যায় উন্নীত** করা হবে।

📰 বিস্তারিত

পেশায় রাজমিস্ত্রি **শাওন শেখ** (৩৫) তাঁর স্ত্রীর সন্তান প্রসবের জন্য পিরোজপুর সদরের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। কিন্তু সেখানে সিজার অপারেশনের ব্যবস্থা না থাকায় শেষ পর্যন্ত **১ অক্টোবর** একটি বেসরকারি ক্লিনিকে **২০ হাজার টাকা** খরচ করে সন্তান প্রসব হয়। শাওন শেখ প্রথম আলোকে বলেন, “ওই কেন্দ্রে সিজার হলে বিনা মূল্যে করাতে পারতাম। কিন্তু বেসরকারি ক্লিনিকে অপারেশন করাতে আমার প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।”

সিজার বন্ধ থাকায় গত এক মাসে **১৫ জন মা** সিজার না হওয়ায় বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে বাধ্য হয়েছেন। কেন্দ্রটি **২০ শয্যার** হলেও সিজার অপারেশন বন্ধ থাকায় **২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর** থেকে সিজার করা হয় না। তবে স্বাভাবিক প্রসবের ব্যবস্থা রয়েছে। গত জুলাই মাসে **১২ জন**, আগস্টে **২০ জন** ও সেপ্টেম্বরে **১৩ জন** নারীর স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে।

কেন্দ্রের পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা **মাহমুদা আক্তার** বলেন, “কোনো কোনো সময় রোগী নিয়ে চলে যান স্বজনেরা। কারণ, এখানে সিজার করার চিকিৎসক না থাকায় ঝুঁকি এড়াতেই যান তারা।” কেন্দ্রের **২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা** নিশ্চিত নয়, কারণ **চিকিৎসক ও সহায়ক কর্মীর ঘাটতি** রয়েছে। এছাড়া **নিরাপত্তা প্রহরী না থাকায়** রাতের সেবাও ব্যাহত হচ্ছে।

"সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় টিম থাকতে হয়। সেটা নেই। যে কারণে এখানে সিজার হয় না।" — **চিকিৎসক আবুল কালাম আজাদ**

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পিরোজপুর সদর, মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাওন শেখ, মাহমুদা আক্তার, আবুল কালাম আজাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ বছর (সিজার বন্ধ), ২০ হাজার টাকা (খরচ), ১৫ জন (মা), ২০ শয্যা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖