📌 মোহাম্মদপুরের একটি সরকারি হাসপাতালে দু’সন্তানের জন্মদানের মোট খরচ মাত্র ৭৫ টাকা হয়েছে। স্কুলশিক্ষক নাজমুন নাহার বলেছেন, প্রাইভেট হাসপাতালের তুলনায় সরকারি হাসপাতালে সেবা পাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেক সহজ ও অর্থনৈতিক
মোহাম্মদপুরের একটি সরকারি হাসপাতালে দু’সন্তানের জন্মদানের মোট খরচ মাত্র ৭৫ টাকা হয়েছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরে বসবাসকারী স্কুলশিক্ষক নাজমুন নাহারের অভিজ্ঞতা এই তথ্যের পক্ষে প্রমাণ। তিনি বলেছেন, প্রাইভেট হাসপাতালের তুলনায় সরকারি হাসপাতালে সেবা পাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেক সহজ ও অর্থনৈতিক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরের ১০০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুস্বাস্থ্য হাসপাতালে দু’সন্তানের জন্মদানের মোট খরচ মাত্র ৭৫ টাকা হয়েছে।
- 📌 প্রথম সন্তানের জন্মের সময় ১০ টাকার টিকিট কাটা হয়েছিল, দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের সময় জরুরি সেবা নিতে ৬৫ টাকার টিকিট কাটতে হয়েছিল।
- 📌 দু’সন্তানের জন্মসনদ নিতে ২০০ টাকা খরচ হয়েছে, যা হাসপাতালের বাইরে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার নামে পরিচিত এই হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য মিডওয়াইফের দক্ষতা প্রশংসিত হয়েছে।
- 📌 প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসক দেখাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, কিন্তু সরকারি হাসপাতালে সিরিয়ালের সময় কম এবং পরিষ্কার পরিবেশ রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ঢাকার মোহাম্মদপুরে বসবাসকারী স্কুলশিক্ষক নাজমুন নাহারের দু’সন্তানের জন্মদানের অভিজ্ঞতা সরকারি হাসপাতালের সেবার দক্ষতা ও অর্থনৈতিক সুবিধা তুলে ধরেছে। তিনি বলেছেন, প্রথম সন্তানের জন্মের সময় ১০ টাকার টিকিট কাটা হয়েছিল, কিন্তু দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের সময় জরুরি সেবা নিতে ৬৫ টাকার টিকিট কাটতে হয়েছিল। এই খরচ বাড়ার কারণ তিনি বলেছেন, জরুরি সেবা নিতে টিকিটের মূল্য বেশি। তবে দু’সন্তানের জন্মসনদ নিতে ২০০ টাকা খরচ হয়েছে, যা হাসপাতালের বাইরে নেওয়া হয়েছে।
নাজমুন নাহার বলেছেন, তিনি প্রথম গর্ভাবস্থার মাঝামাঝি সময়ে বাড়ির কাছের এই মা ও শিশুস্বাস্থ্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “প্রাইভেট চেম্বারে গেলে যত বেশি নামকরা চিকিৎসক, তত বেশি লম্বা সিরিয়াল আর ভোগান্তি। সেখানে একটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিরিয়াল নিতে হয়। তারপর নির্ধারিত দিনে সেখানে গিয়েও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়।” তিনি আরও বলেন, “সন্ধ্যা ৬টার সিরিয়াল, সময়মতো গিয়েও চিকিৎসকের রুমে পৌঁছাতে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার অপেক্ষা করতে হয়।”
নাজমুন নাহারের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, এই হাসপাতালে পরিষ্কার পরিবেশ এবং যত্নশীল চিকিৎসকদের সেবা পাওয়া যায়। তিনি বলেন, “কারও এই হাসপাতালে যাওয়ার অভিজ্ঞতা থাকলে তিনি জানেন, ভেতরের পরিবেশও বেশ ভালো, পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় যেসব ওষুধ প্রায় সব নারীকে খেতে বলা হয়—সেই ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিনের ওষুধও এখানে মেলে কোনো টাকা ছাড়াই।”
নাজমুন নাহারের দু’সন্তানই স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, “এখানে পর্যাপ্ত মিডওয়াইফ আছেন, তাঁরাই সাধারণত প্রসবের দায়িত্বে থাকেন। তাঁদের দক্ষতা দেখে অবাক হয়েছি। একেকজন মায়ের পেছনে কয়েকজন করে মিডওয়াইফ থাকেন।” তিনি আরও বলেন, “স্বাভাবিক প্রসবেই বেশি উৎসাহ দেওয়া হয়। তবে কারও অবস্থা সংকটাপন্ন হলে তখন চিকিৎসক অস্ত্রোপচারের কথা ভাবেন। সেটাতেও বাড়তি কোনো খরচ নেই।”
"প্রাইভেট চেম্বারে গেলে যত বেশি নামকরা চিকিৎসক, তত বেশি লম্বা সিরিয়াল আর ভোগান্তি। সেখানে একটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিরিয়াল নিতে হয়। তারপর নির্ধারিত দিনে সেখানে গিয়েও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষক নাজমুন নাহার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ টাকা (মোট খরচ), ১০০ শয্যা (হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা), ৬০% (অস্ত্রোপচার জন্মের হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!