📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেহেরপুরের হাসপাতালে ৮ বছরের পুরনো জেনারেটর অচল, রোগী মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা পায়

মেহেরপুরের হাসপাতালে ৮ বছরের পুরনো জেনারেটর অচল, রোগী মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা পায়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটর ৮ বছর ধরে অচল থাকায় রোগীরা মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা পাচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের অভাবের কারণে জেনারেটরটি সচল করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা জেনারেটর মেরামতের দাবি জানাচ্ছেন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ বছর ধরে অচল অবস্থায় থাকা জেনারেটর রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করছে। লোডশেডিংয়ের সময় মোবাইলের আলোয় চিকিৎসা চালানোর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের অভাবকে দায়ী করে জেনারেটর মেরামতের দাবি জানাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটর ৮ বছর ধরে অচল অবস্থায় রয়েছে
  • 📌 লোডশেডিংয়ের সময় মোবাইলের আলোয় রোগী দেখতে হয় চিকিৎসকদের
  • 📌 হাসপাতালে গতকাল ১০৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে
  • 📌 জেনারেটর মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে
  • 📌 গাংনী আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশমুখ থেকে দোতলায় উঠতেই চোখে পড়ে একটি তালাবদ্ধ ঘর। এই ঘরে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে হাসপাতালের একমাত্র জেনারেটর। দেখতে দেখতে আট বছর পেরিয়ে গেলেও জেনারেটরটি চালুর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের মতে, একটি সরকারি হাসপাতালে এত দীর্ঘ সময় ধরে জেনারেটর অচল থাকা স্বাস্থ্যসেবার অভ্যন্তরীণ বেহাল দশারই প্রতীক।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ধারণক্ষমতার বেশি রোগী ভর্তি রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি রোগী ফাতেমা খাতুন জানান, গতকাল শুক্রবার রাতেও কিছুটা লোডশেডিং হয়েছিল, যা ভর্তি রোগীদের জন্য চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। তিনি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালে জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের অভাবে সেটি সাত-আট বছর ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। জং ধরে সেটি একেবারেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মানুষ যাতে শান্তিতে চিকিৎসা সেবা নিতে পারে, সে জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া দরকার।’

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘রোগীদের সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ আবশ্যক। বর্তমানে একটি আইপিএস দিয়ে কেবল জরুরি বিভাগের সেবা চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে। তবে অন্তর্বিভাগে ভর্তি রোগীদের জন্য কোনো বিকল্প নেই। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে অনেক সময় বাধ্য হয়ে মোবাইলের টর্চলাইট জ্বেলেই আমাদের রোগী দেখতে হয়।’ তিনি আরও জানান, জেনারেটরটি প্রায় সাত থেকে আট বছর ধরে বিকল অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে এবং তারা দ্রুত মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন।

"রোগীদের সঠিকভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ আবশ্যক। বর্তমানে একটি আইপিএস দিয়ে কেবল জরুরি বিভাগের সেবা চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে। তবে অন্তর্বিভাগে ভর্তি রোগীদের জন্য কোনো বিকল্প নেই। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে অনেক সময় বাধ্য হয়ে মোবাইলের টর্চলাইট জ্বেলেই আমাদের রোগী দেখতে হয়।"

গাংনী আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা বলেন, ‘গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পুরো উপজেলার অধিকাংশ মানুষ এখানেই চিকিৎসা নিতে আসেন। লোডশেডিংয়ের সময় ভর্তি রোগীদের অনেক কষ্ট হয়। তাই হাসপাতালে কীভাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে দ্রুতই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. মাসুদুর রহমান (আরএমও), নাজমুল হুদা (সংসদ সদস্য), ফাতেমা খাতুন (রোগী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ বছর (জেনারেটর অচল), ১০৪ জন (গতকাল ভর্তি রোগী), ১০-১১ মেগাওয়াট (বিদ্যুৎ চাহিদা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖