📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহের ট্রমা সেন্টার ১৯ বছর পরও পূর্ণাঙ্গ সেবা দিতে পারছে না: জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকট

ময়মনসিংহের ট্রমা সেন্টার ১৯ বছর পরও পূর্ণাঙ্গ সেবা দিতে পারছে না: জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকট

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় নির্মিত ২০ শয্যার ট্রমা সেন্টার ১৯ বছর পরও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকটে বহির্বিভাগ ছাড়া অন্য কোনো সেবা দেওয়া হয় না। ২০০৭ সালে উদ্বোধিত এই হাসপাতালে ২০২২ সাল থেকে আংশিক সেবা শুরু হলেও অন্তর্বিভাগের চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় নির্মিত ট্রমা সেন্টার ১৯ বছর পরও পূর্ণাঙ্গভাবে সেবা প্রদান করতে পারছে না। সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য নির্মিত এই ২০ শয্যার হাসপাতালের অন্তর্বিভাগ বন্ধ রয়েছে। জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকটে রোগীদের ভর্তি করা হয় না এবং অস্ত্রোপচারও সম্ভব নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯ বছর আগে নির্মিত ময়মনসিংহের ট্রমা সেন্টার ১৫ বছর অব্যবহৃত ছিল; ২০২২ সাল থেকে আংশিক সেবা শুরু হলেও অন্তর্বিভাগ বন্ধ
  • 📌 বর্তমানে মাত্র ৩ জন চিকিৎসক, ১১ জন নার্স, ১ জন এক্স-রে টেকনিশিয়ান ও ১ জন ফার্মাসিস্টের সেবায় চলছে হাসপাতাল
  • 📌 ২০০৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধিত হাসপাতালে ২৬ হাজার ১৩ জন রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন, কিন্তু ভর্তি সেবা নেই
  • 📌 ২০ শয্যার হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজন ৪২ জন কর্মী, বর্তমানে মাত্র ১৫ জন কর্মী রয়েছে
  • 📌 চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে ভালুকা উপজেলায় ৬৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১ জন আহত হলেও ট্রমা সেন্টার থেকে জরুরি সেবা পাননি

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে অবস্থিত এই ট্রমা সেন্টার ২০০৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধিত হলেও ১৫ বছর ধরে এটি ব্যবহার করা হয়নি। ২০২২ সালের শেষ দিকে বহির্বিভাগে সেবা শুরু হলেও অন্তর্বিভাগের কার্যক্রম এখনও চালু হয়নি। বর্তমানে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত মাত্র বহির্বিভাগের সেবা দেওয়া হয়।

হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, ২০ শয্যার ট্রমা সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৪২ জন কর্মীর প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে মাত্র ৩ জন চিকিৎসক, ১১ জন নার্স, ১ জন এক্স-রে টেকনিশিয়ান এবং ১ জন ফার্মাসিস্টের সেবায় চলছে হাসপাতাল। এছাড়া, অস্ত্রোপচার কক্ষ চালু করতে জেনারেটরসহ যন্ত্রপাতি মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে।

চলতি বছরের শুরু থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২৬ হাজার ১৩ জন রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে ভালুকা উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে ৬৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১ জন আহত হলেও ট্রমা সেন্টার থেকে জরুরি সেবা পাননি। আহত ব্যক্তিদের অন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতালের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ বলেন, “ট্রমা সেন্টারে পূর্ণাঙ্গ অন্তর্বিভাগ সেবা চালুর চেষ্টা চলছে। কিন্তু জনবলের সংকট এবং যন্ত্রপাতির অভাব এই সেবার পথে বড় বাধা। ২৪ ঘণ্টার দায়িত্ব পালনের জন্য আলাদা ডিউটি চিকিৎসকের পদ নেই। তাই স্থায়ীভাবে অন্তর্বিভাগ সেবা চালু করতে নতুন পদ সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ জরুরি।”

"রোগী আইলে ভর্তি রাহে না। মাইনস্যের যদি কামেই না লাগে, তাইলে এই হাসপাতাল কইরা লাভ অইলো কী?"

— ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারি গ্রামের তবারক হোসেন, যিনি কোমরের ব্যথায় ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছিলেন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ (আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা), আতিকুর রহমান (ভালুকা ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা), তবারক হোসেন (রোগী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর (অব্যবহৃত), ২০ শয্যা, ৩ জন চিকিৎসক, ১১ জন নার্স, ৬৩টি দুর্ঘটনা, ৫১ জন আহত, ২৬ হাজার ১৩ জন রোগী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖