📌 খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দেড় মাস বয়সী শিশু মুয়াজ আব্দুল্লাহ মারা যায়। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসক না পাওয়ায় শিশুটির জীবন বাঁচানো সম্ভব হতো না
খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দেড় মাস বয়সী শিশু মুয়াজ আব্দুল্লাহ মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসা সেবা প্রদানের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা শিশুটির জীবন বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় দেড় মাস বয়সী শিশু মুয়াজ আব্দুল্লাহ মারা যান
- 📌 শিশুটিকে সকাল সাড়ে ৭টায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও জরুরি বিভাগে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না
- 📌 দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা বাইরের ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ আনতে বলেন, পরে চিকিৎসকের আগমন অপেক্ষায় রাখা হয়
- 📌 শিশুটির মামা রাকিব হাসান বলেন, চিকিৎসকের অপেক্ষায় তারা সকাল ৯টা পর্যন্ত হাসপাতালে ছিলেন
- 📌 মুয়াজ আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে শিশুদের জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু মুয়াজ আব্দুল্লাহকে নিয়ে যাওয়া হয়। তার মামা রাকিব হাসান জানান, সকাল থেকেই শিশুটি কান্নাকাটি করছিল। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবার তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু জরুরি বিভাগে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা বাইরের ওষুধের দোকান থেকে দুটি ওষুধ আনতে বলেন। ওষুধ নিয়ে আসার পর শিশুটিকে নেবুলাইজার দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক এসে দেখবেন বলে তাদের জানানো হয়।
রাকিব হাসান বলেন, চিকিৎসকের অপেক্ষায় তারা সকাল ৯টা পর্যন্ত হাসপাতালে ছিলেন। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে কোনো চিকিৎসক আসেননি। একপর্যায়ে শিশুটির মৃত্যু হয়। তিনি বলেন, সময়মতো চিকিৎসা পেলে শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হতো কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এ ঘটনায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসকের উপস্থিতি ও জরুরি সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে শিশুদের সংকটাপন্ন অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে এসেছে।
"সকাল থেকেই শিশুটি কান্নাকাটি করছিল। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু জরুরি বিভাগে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুয়াজ আব্দুল্লাহ (মারা যাওয়া শিশু), রাকিব হাসান (মামা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর (তারিখ), সাড়ে ৭টা (শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সময়), ৯টা (চিকিৎসকের অপেক্ষায় থাকা সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!