📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত হামের টিকা আমদানি না হওয়ার পেছনে প্রশাসনিক অবহেলার কথা উল্লেখ করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ২০২৪-২৫ সালে টিকাদান ক্যাম্পেইন বন্ধ রাখা এবং টিকা আমদানি না হওয়ার জন্য দায়িত্বহীনদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত হামের টিকা আমদানি না হওয়ার পেছনে প্রশাসনিক অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কথা উল্লেখ করে তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ রাখা এবং জরুরি টিকা আমদানি না হওয়ার জন্য দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অবহেলার কারণে শিশুদের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হামের টিকা সংকট: ২০২৪ সালের শেষ বা ২০২৫ সালের শুরুতে টিকাদান ক্যাম্পেইন বন্ধ রাখা এবং টিকা আমদানি না হওয়ার জন্য দায়িত্বহীনদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
- 📌 তদন্ত কমিটি: একজন বিচারক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখবে।
- 📌 টিকা সংগ্রহ: সরকার জরুরী ভিত্তিতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।
- 📌 হৃদরোগের ঝুঁকি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তরুণদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে 'অ্যাক্রস-বিডি' গবেষণা প্রকল্পের ঘোষণা দেন।
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) শাহবাগের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, "জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় আমরা দেশে হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাব দেখতে পাই। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৪ সালের শেষ বা ২০২৫ সালের শুরুতে যে জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল, তৎকালীন সরকার তা পরিচালনা করেনি। এমনকি মন্ত্রণালয়ে আপৎকালীন কোনো মজুতও রাখা হয়নি।"
মন্ত্রী বলেন, "কারা এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং কেন প্রয়োজনীয় টিকা আমদানি করা হলো না, তা দেশবাসীর জানা জরুরি। আমরা কোনো দোষারোপের রাজনীতি করতে চাই না, তবে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অবহেলার কারণে কোনো শিশুর জীবন যেন অকালে ঝরে না যায়, সেজন্যই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।"
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সরকার জরুরী ভিত্তিতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে টিকা সংগ্রহ করে মাত্র এক থেকে দুই মাসের ব্যবধানে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
তিনি তরুণদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বলেন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান ও শরীরচর্চার অভাবে কম বয়সেই বহু মানুষ হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে 'অ্যাক্রস-বিডি' নামক পাঁচ বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্প শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের আটজন তরুণ চিকিৎসক ও গবেষক আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন।
"জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় আমরা দেশে হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাব দেখতে পাই। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৪ সালের শেষ বা ২০২৫ সালের শুরুতে যে জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল, তৎকালীন সরকার তা পরিচালনা করেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহবাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কোটি ২০ লাখ শিশু, ১৫ দিন, ৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!