📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হামের জটিলতা বাড়ছে অপুষ্টির কারণে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের সতর্কবার্তা

হামের জটিলতা বাড়ছে অপুষ্টির কারণে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের সতর্কবার্তা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হামের জটিলতা বাড়ছে অপুষ্টির কারণে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি জানান, অপুষ্টিতে ভোগা শিশুরা হাম আক্রান্ত হলে দ্রুত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ শুরু হয়েছে

দেশে হামের জটিলতা বাড়ছে অপুষ্টির কারণে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিনের টিকাদান কর্মসূচির ঘাটতি এবং অপুষ্টি হামের প্রধান কারণ। শিশুরা হাম আক্রান্ত হলে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অপুষ্টি ও টিকাদান ঘাটতি হামের জটিলতা বাড়াচ্ছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের দাবি।
  • 📌 ১০ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের কারণে, যার মধ্যে অপুষ্টি ও নিউমোনিয়া প্রধান কারণ।
  • 📌 ১৫০ টাকার বোতলভিত্তিক সিপ্যাপ পদ্ধতি উদ্ভাবন করে আইসিডিডিআরবির চিকিৎসক চিশতি শিশুদের জীবন রক্ষা করছে।
  • 📌 ২ কোটি ২৫ লাখ শিশু ভিটামিন এ পেয়েছে, কিন্তু ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশু হাম-রুবেলা টিকা পেয়েছে।
  • 📌 ৪০ লাখ শিশুকে খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হয়েছে, নতুন করে ৩৪ লাখ শিশুকে লক্ষ্য করে ক্যাচআপ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
  • 📌 ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে।
  • 📌 ৪৩ লাখ ডোজ টিকা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে, বর্তমান কর্মসূচি শেষে ১০ লাখ ডোজ টিকা মজুত থাকবে।

📰 বিস্তারিত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতির কারণে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েছে। তিনি জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর ৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম পর্যায়ে ইউনিসেফের নির্ধারিত তিন ধাপে ১৮ জেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পরে ঢাকা ও আরও দুটি বড় সিটি করপোরেশনকে এর আওতায় আনা হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে টিকাদান কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির সমস্যা দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিউমোনিয়া ও অপুষ্টি হাম আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ। তিনি উল্লেখ করেন, আইসিডিডিআরবির চিকিৎসক চিশতি মাত্র ১৫০ টাকা ব্যয়ে বোতলভিত্তিক সিপ্যাপ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এই পদ্ধতিতে অক্সিজেন নিতে না পারা শিশুদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ভিটামিন এ ক্যাপসুল কর্মসূচিতে ২ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে টিকা পেয়েছিল প্রায় ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশু। দুই কর্মসূচির মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ শিশুর ব্যবধানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর প্রায় ১৪ লাখ শিশুকে শনাক্ত করে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে হাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় নতুন করে ক্যাচআপ টিকাদান কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

"এই পরিস্থিতিতে আইসিডিডিআরবির চিকিৎসক চিশতি মাত্র ১৫০ টাকা ব্যয়ে বোতলভিত্তিক সিপ্যাপ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এই পদ্ধতিতে অক্সিজেন নিতে না পারা শিশুদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সরকারি অনুষ্ঠান), সারাদেশ (টিকাদান ক্যাম্প)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, চিকিৎসক চিশতি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ সেপ্টেম্বর (উদ্বোধনী অনুষ্ঠান), ৫ এপ্রিল (টিকাদান শুরু), ১৮ জেলা (প্রথম পর্যায়), ২০ এপ্রিল (সারাদেশে সম্প্রসারণ), ১৫০ টাকা (সিপ্যাপ পদ্ধতি), ২ কোটি ২৫ লাখ (ভিটামিন এ পেয়েছে), ১ কোটি ৮৫ লাখ (হাম-রুবেলা টিকা পেয়েছে), ৪০ লাখ (বাদ পড়া শিশু), ৩৪ লাখ (ক্যাচআপ কর্মসূচি), ৪৩ লাখ (বিতরণ করা টিকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖