📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইমচর হাসপাতালে চিকিৎসা সংকট: অস্ত্রোপচারকক্ষ না থাকায় রোগী জেলা শহরে যাচ্ছে

হাইমচর হাসপাতালে চিকিৎসা সংকট: অস্ত্রোপচারকক্ষ না থাকায় রোগী জেলা শহরে যাচ্ছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট, অস্ত্রোপচারকক্ষ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতিতে রোগীরা জেলা শহরে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন। ৩১ শয্যার হাসপাতালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি ও জনবল সংকটে রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। অস্ত্রোপচারকক্ষের অভাবের কারণে অপারেশন ছাড়া কোনো জটিল চিকিৎসা সম্ভব নয়। ফলে রোগীরা জেলা শহরে যেতে বাধ্য হন। এছাড়াও ৩১ শয্যার এই হাসপাতালকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাইমচর হাসপাতালে ৩১টি শয্যার মধ্যে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫২ জন রোগী চিকিৎসাধীন থাকলেও শয্যা ঘাটতি ও জনবল সংকটে রোগীরা মেঝেতে ও বারান্দায় থাকতে বাধ্য
  • 📌 ১৩১টি অনুমোদিত পদে কর্মরত মাত্র ৭৫ জন কর্মী, ২০ জন চিকিৎসকের মধ্যে কনসালট্যান্টের সংখ্যা শূন্য
  • 📌 অস্ত্রোপচারকক্ষের অভাবে অপারেশন ছাড়া কোনো জটিল চিকিৎসা সম্ভব নয়, রোগীদের জেলা শহরে পাঠাতে হয়
  • 📌 প্যাথলজি বিভাগ থাকলেও এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনের অভাব, পরীক্ষার জন্য রোগীদের বাইরে যেতে হয়
  • 📌 ২০১৯ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি, ঠিকাদার চুক্তি বাতিল ও নতুন ঠিকাদারের কাজ শুরু হয়েছে

📰 বিস্তারিত

হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন অন্তত ৬০০ রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেয়। তবে অভ্যন্তরীণ বিভাগে শুধু ৩১টি শয্যা থাকায় প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫২ জন রোগী চিকিৎসাধীন থাকে। হাসপাতালের ৩১টি শয্যা পূর্ণ থাকায় রোগীরা মেঝেতে ও বারান্দায় অবস্থান করতে বাধ্য হন। এক কক্ষে ছয়জন চিকিৎসক একসাথে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।

হাসপাতালের সর্ববৃহৎ সংকট হলো অস্ত্রোপচারকক্ষের অভাব। এখানে শুধু স্বাভাবিক প্রসব করা হয়। অপারেশন প্রয়োজন হলে রোগীদের অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়। প্যাথলজি বিভাগ থাকলেও এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনের অভাব রয়েছে। ফলে সাধারণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের বাইরে যেতে হয়।

হাসপাতালের ১৩১টি অনুমোদিত পদে কর্মরত মাত্র ৭৫ জন কর্মী। ২০ জন চিকিৎসকের মধ্যে কনসালট্যান্টের সংখ্যা শূন্য। নার্সের ৩০টি পদে কর্মরত ২৬ জন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মাহমুদন্নবী মাছুম বলেছেন, অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ শেষ হলে চিকিৎসাসেবা আরও বিস্তৃত হবে।

"৫০ শয্যায় উন্নীত করার অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলে হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা আরও বিস্তৃত হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চাঁদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. মাহমুদন্নবী মাছুম (উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা), সেলিনা বেগমের স্বামী মনজুর মিয়া, রোগী মহসিন মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ শয্যা (বর্তমান), ৫০ শয্যা (উন্নীত করার পর), ১ লাখ ৪৪ হাজার (রোগীর সংখ্যা), ৬০০ (দৈনিক বহির্বিভাগের রোগী), ৭৫ জন (কর্মী), ৫৬টি (খালি পদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖