📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফাস্টিংয়ের উপকার পাবেন খেয়ে! জানুন কীভাবে ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েট করবেন

ফাস্টিংয়ের উপকার পাবেন খেয়ে! জানুন কীভাবে ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েট করবেন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েটের মাধ্যমে খেয়ে থাকাকালীনও ফাস্টিংয়ের উপকার পাওয়ার পদ্ধতি জানুন। এই পদ্ধতিতে মাসে ৫ দিনে সর্বোচ্চ ৭৫০ ক্যালরি খেয়ে কোষের কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে। তবে কিছু শারীরিক অবস্থায় এ ডায়েট উপযুক্ত নয়

ফাস্টিংয়ের উপকার পাওয়ার এক নতুন পদ্ধতি হলো ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েট। এই পদ্ধতিতে পুরোপুরি না খেয়ে থাকার প্রয়োজন নেই, বরং ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করে খেয়ে ফাস্টিংয়ের কিছু উপকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই পদ্ধতিতে শরীরের কোষের কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে এবং বার্ধক্যজনিত ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাসে ৫ দিনে সর্বোচ্চ ৭৫০ ক্যালরি খেয়ে ফাস্টিংয়ের উপকার পাওয়ার পদ্ধতি হলো ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েট
  • 📌 প্রথম দিনে ৭০০-১১০০ ক্যালরি, পরের ৪ দিনে সর্বোচ্চ ৭৫০ ক্যালরি খাওয়া হয়
  • 📌 খাবারের ১০ শতাংশ প্রোটিন, ৪৫ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট ও ৪৫ শতাংশ ফ্যাটের অনুপাত রাখা হয়
  • 📌 উদ্ভিদভিত্তিক খাবার যেমন সবজির স্যুপ, শাক, বাদাম ও বীজ খাওয়া যায়
  • 📌 এই ডায়েট কোষের কার্যক্ষমতা বাড়াতে, হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে
  • 📌 ডায়াবেটিস, হরমোন সমস্যা বা খাওয়াদাওয়া-সংক্রান্ত মানসিক সমস্যা থাকলে এ ডায়েট উপযুক্ত নয়

📰 বিস্তারিত

ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েটের মূল ধারণা হলো ফাস্টিংয়ের উপকার পাওয়ার জন্য পুরোপুরি না খেয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। এই পদ্ধতিতে মাসে একটানা ৫ দিনে খাবারের ক্যালরি ও পুষ্টির অনুপাত নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদ্ধতিতে শরীরের ‘সেলুলার হাউসকিপিং’ প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়, যার ফলে পুরোনো কোষীয় উপাদান ভেঙে পুনর্ব্যবহার হয়।

ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েটে প্রথম দিনে ৭০০-১১০০ ক্যালরি এবং পরের ৪ দিনে সর্বোচ্চ ৭৫০ ক্যালরি খাওয়া হয়। এ সময় খাবারের ১০ শতাংশ প্রোটিন, ৪৫ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট ও ৪৫ শতাংশ ফ্যাটের অনুপাত রাখা হয়। পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে এই অনুপাত ঠিক রাখা হয়। এই পদ্ধতিতে উদ্ভিদভিত্তিক হালকা খাবার যেমন সবজির স্যুপ, শাক, বাদাম ও বীজ খাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ডায়েটের সম্ভাব্য উপকারিতা হলো কোষের কার্যক্ষমতা বাড়ানো, বার্ধক্যজনিত ক্ষতি কমানো, হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমানো, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং আলঝেইমার্স ডিজিজের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করা। তবে এই ডায়েট সবার জন্য উপযুক্ত নয়। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, নিয়মিত কার্ডিও ও ব্যায়ামকারী ব্যক্তি, খাওয়াদাওয়া-সংক্রান্ত মানসিক সমস্যা থাকা ব্যক্তি, বডি মাস ইনডেক্স কম থাকা ব্যক্তি, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি বা মাথাব্যথা সহ শারীরিক জটিলতা থাকা ব্যক্তি, ডায়াবেটিস বা হরমোন সমস্যা থাকা ব্যক্তিদের জন্য এ ডায়েট উপযুক্ত নয়।

"ফাস্টিংয়ের উপকার পাওয়ার জন্য পুরোপুরি না খেয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। ফাস্টিং মিমিকিং ডায়েটের মাধ্যমে খেয়ে থাকাকালীনও উপকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে শুরু করার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (গবেষণা ও ডায়েট পরিকল্পনা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা, বিশেষজ্ঞরা, পুষ্টিবিদরা, আপনি (পাঠক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ দিন, ৭০০-১১০০ ক্যালরি, ৭৫০ ক্যালরি, ১০ শতাংশ প্রোটিন, ৪৫ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖