📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডিমের কুসুম খাওয়ার ঝুঁকি কি হার্ট অ্যাটাক? পুষ্টিবিদদের সত্য কথা

ডিমের কুসুম খাওয়ার ঝুঁকি কি হার্ট অ্যাটাক? পুষ্টিবিদদের সত্য কথা

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল থাকলেও তা হার্টের জন্য ক্ষতিকর নয়। পুষ্টিবিদ ডা. অরুণ কুমার বলেছেন, শরীরের প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল যকৃত উৎপাদন করে। প্রতিদিন কতটা ডিম খাওয়া নিরাপদ, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

ডিমের কুসুম খেলে কি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পুষ্টিবিদ ডা. অরুণ কুমার বলেছেন, ডিমের কুসুমে থাকা কোলেস্টেরল শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। তিনি বলেছেন, শরীরের প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল যকৃত উৎপাদন করে এবং খাবার থেকে আসা কোলেস্টেরল তার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডিমের কুসুমে ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকলেও তা হার্টের জন্য ক্ষতিকর নয় — শরীরের প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল যকৃত উৎপাদন করে
  • 📌 ডিমের প্রোটিনের জৈব উপলভ্যতা ১০০ শতাংশ — এটি "গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড" প্রোটিন হিসেবে বিবেচিত
  • 📌 ডিমের কুসুমে কোলিন, লুটেইন, জিয়াজ্যান্থিন এবং ভিটামিন ডি থাকা সত্ত্বেও, এটি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় না
  • 📌 দিনে ১ থেকে ৪টি ডিম খাওয়া নিরাপদ — নির্ভর করে বয়স ও শারীরিক অবস্থার উপর
  • 📌 শিশুদের ১-২টি, গর্ভবতী নারীদের ২টি, বয়স্কদের ২টি এবং ব্যায়ামকারী ব্যক্তিদের ৩-৪টি ডিম খাওয়া উপকারী

📰 বিস্তারিত

ডিম একটি পুষ্টিকর খাবার, যা শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবার জন্য সুপারিশ করা হয়। কিন্তু ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের সমস্যা হয়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিবিসি নিউজের সাথে কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ ডা. অরুণ কুমার। তিনি বলেছেন, ডিমের কুসুমে থাকা কোলেস্টেরল শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। কারণ, শরীরের প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল যকৃত উৎপাদন করে।

ডা. অরুণ কুমার বলেছেন, "ডিমের প্রোটিনকে উচ্চ মানের বলা হয়, কারণ এর জৈব উপলভ্যতা অর্থাৎ শরীরে এটি শোষিত হওয়ার ক্ষমতা ১০০ শতাংশ। এছাড়া ডিমের মধ্যে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলোকে সহজেই আমাদের শরীর হজম করে তা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করতে পারে।" তিনি আরও বলেছেন, "এ কারণেই প্রোটিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার সময় ডিমের প্রোটিনকে অন্যান্য খাবারের সঙ্গে তুলনা করা হয়। এবং এই একই কারণে ডিমের প্রোটিনকে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বা শ্রেষ্ঠ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।"

ডিমের কুসুমে কোলিন, লুটেইন, জিয়াজ্যান্থিন এবং ভিটামিন ডি থাকলেও, এটি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় না। ডা. অরুণ কুমার বলেছেন, "এটা ঠিকই যে একটা ডিমের কুসুমে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। তবে আমাদের খাবার থেকে আসা কোলেস্টেরল এবং আমাদের রক্তে উপস্থিত কোলেস্টেরলের মধ্যে পার্থক্যটা বোঝা দরকার। এ ধারণাটা ভুল যে রক্তে উপস্থিত সমস্ত কোলেস্টেরল শুধুমাত্র আমাদের খাবার থেকেই আসে।"

ডিমের কুসুমে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলো স্নায়ুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জন্য কোলিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এছাড়া লুটেইন এবং জিয়াজ্যান্থিন চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে।

"ডিমের প্রোটিনকে উচ্চ মানের বলা হয়, কারণ এর জৈব উপলভ্যতা অর্থাৎ শরীরে এটি শোষিত হওয়ার ক্ষমতা ১০০ শতাংশ। এছাড়া ডিমের মধ্যে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলোকে সহজেই আমাদের শরীর হজম করে তা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিবিসি নিউজ তামিল (গবেষণা ও পরামর্শ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. অরুণ কুমার (পুষ্টিবিদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ মিলিগ্রাম (কোলেস্টেরল), ১০০ শতাংশ (জৈব উপলভ্যতা), ১-৪টি (ডিমের পরিমাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖