📌 ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে অনুভূতি কমে যেতে পারে। ভাইব্রাসেন্স যন্ত্রের মাধ্যমে এই ক্ষতির পরিমাপ করা যায়। বাংলাদেশে এর দাম প্রায় ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং একবার চার্জ দিলে ৭০ বারের বেশি পরীক্ষা করা যায়
ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে রোগীর পায়ের অনুভূতি ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে। ফলে ক্ষত সৃষ্টি হলেও তা টের পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এই সমস্যা ‘ডায়াবেটিক পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি’ নামে পরিচিত। এই রোগের পরিবর্তন শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয় ভাইব্রাসেন্স নামের একটি ছোট যন্ত্র। পরীক্ষার সময় যন্ত্রের কম্পনদণ্ড পায়ের নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয় এবং নিয়ন্ত্রিত কম্পন প্রয়োগ করা হয়। রোগী কখন কম্পন অনুভব করছেন, সেই ভিত্তিতে তাঁর কম্পন অনুভূতির সীমা নির্ধারণ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডায়াবেটিসে পায়ের স্নায়ু ক্ষতির পরিমাপে ব্যবহৃত ভাইব্রাসেন্স যন্ত্রের মাধ্যমে রোগীর পায়ের অনুভূতি পরীক্ষা করা হয়
- 📌 পরীক্ষায় পায়ের নির্দিষ্ট স্থানে যন্ত্রের কম্পনদণ্ড রাখা হয় এবং নিয়ন্ত্রিত কম্পন প্রয়োগ করা হয়
- 📌 রোগী যে মাত্রায় কম্পন অনুভব করেন, সেই ভিত্তিতে স্নায়ুর অনুভূতি পরিমাপ করা হয়
- 📌 স্নায়ুর অনুভূতি কমে গেলে সাধারণত বেশি মাত্রার কম্পন প্রয়োজন হয়
- 📌 একবার চার্জ দিলে যন্ত্র ৭০ বারের বেশি পরীক্ষা করা যায়
- 📌 বাংলাদেশে ভাইব্রাসেন্স যন্ত্রের দাম প্রায় ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা
- 📌 চিকিৎসকরা এই যন্ত্র ব্যবহার করেন, তবে অনেকে বাড়িতে ব্যবহারের জন্যও কিনে নেন
📰 বিস্তারিত
ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে রোগীর পায়ের অনুভূতি কমে যেতে পারে। ফলে ক্ষত সৃষ্টি হলেও তা টের পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এই সমস্যা ‘ডায়াবেটিক পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি’ নামে পরিচিত। এই রোগের পরিবর্তন শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয় ভাইব্রাসেন্স নামের একটি ছোট যন্ত্র। পরীক্ষার সময় যন্ত্রের কম্পনদণ্ড পায়ের নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয় এবং নিয়ন্ত্রিত কম্পন প্রয়োগ করা হয়। রোগী কখন কম্পন অনুভব করছেন, সেই ভিত্তিতে তাঁর কম্পন অনুভূতির সীমা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ খুব হালকা কম্পন থেকে শুরু করে রোগী যে পর্যায়ে প্রথম কম্পনটি অনুভব করতে পারেন, সেই মাত্রাটি নথিভুক্ত করা হয়।
স্নায়ুর অনুভূতি কমে গেলে সাধারণত কম্পন অনুভব করতে তুলনামূলক বেশি মাত্রার কম্পন প্রয়োজন হয়। তাই পরীক্ষায় পাওয়া বেশি মান স্নায়ুর সংবেদন কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। ফলাফল পরবর্তী পরীক্ষার সঙ্গে তুলনা করার জন্য সংরক্ষণ করা যায়। একবার পুরো চার্জ দিলে এটি ৭০ বারের বেশি পরীক্ষা করা যায়। সাধারণত চিকিৎসকেরা এই যন্ত্র ব্যবহার করে থাকেন। তবে অনেকে বাড়িতে ব্যবহারের জন্যও কিনে আনেন। বাংলাদেশি টাকায় যন্ত্রটির আনুমানিক দাম ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা। তবে বাংলাদেশে আমদানির ওপর নির্ভর করে দাম কমবেশি হতে পারে।
"স্নায়ুর অনুভূতি কমে গেলে সাধারণত কম্পন অনুভব করতে তুলনামূলক বেশি মাত্রার কম্পন প্রয়োজন হয়। তাই পরীক্ষায় পাওয়া বেশি মান স্নায়ুর সংবেদন কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোগী, চিকিৎসক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বার পরীক্ষা, ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!