📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডায়াবেটিসে ফল খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি: পরিমাণ ও পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন

ডায়াবেটিসে ফল খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি: পরিমাণ ও পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ডায়াবেটিসে ফল খাওয়া বন্ধ করার পরিবর্তে পরিমিত পরিমাণে সঠিক পদ্ধতিতে ফল গ্রহণ স্বাস্থ্যকর। গোটা ফলের খাদ্যআঁশ ও উপকারী উপাদান রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ডা. শাহজাদা সেলিমের পরামর্শ অনুযায়ী, জুস বা চিনি মেশানো শরবত এড়িয়ে গোটা ফলকে পছন্দ করুন

ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে ফল খাওয়ার বিষয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন ফল মিষ্টি হওয়ায় রক্তের সুগার বাড়ায় এবং ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিসে ফল পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সঠিক পরিমাণে এবং সঠিক পদ্ধতিতে ফল গ্রহণ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডায়াবেটিসে ফল খাওয়া বন্ধ করার পরিবর্তে পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক পদ্ধতিতে ফল গ্রহণ করা উচিত
  • 📌 গোটা ফলের খাদ্যআঁশ রক্তের সুগারের শোষণ ধীর করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে
  • 📌 পেয়ারা, জাম, আপেল, কমলা, মাল্টা, পেঁপে, নাশপাতি ও বেরি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়
  • 📌 কলা, আম, কাঁঠাল বা লিচু তুলনামূলক মিষ্টি হলেও একেবারে নিষিদ্ধ নয়, তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি
  • 📌 জুস, স্মুদি বা চিনি মেশানো শরবত এড়িয়ে গোটা ফল খাওয়ার পদ্ধতি অবলম্বন করুন
  • 📌 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর ওজন ও ওষুধ মূল ভূমিকা রাখে

📰 বিস্তারিত

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ফল খাওয়ার বিষয়ে একটি সাধারণ ভুল ধারণা হলো ফল মিষ্টি হওয়ায় রক্তের সুগার বাড়ায়। কিন্তু ডা. শাহজাদা সেলিম, সহযোগী অধ্যাপক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ফল পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। গোটা ফলের মধ্যে রয়েছে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন, খনিজ এবং অন্যান্য উদ্ভিজ্জ উপাদান যা রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। খাদ্যআঁশ গ্লুকোজ শোষণের গতি ধীর করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।

ডা. সেলিমের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযুক্ত ফলগুলির মধ্যে রয়েছে পেয়ারা, জাম, আপেল, কমলা, মাল্টা, পেঁপে, নাশপাতি এবং বিভিন্ন ধরনের বেরি। এগুলোর মধ্যে খাদ্যআঁশ এবং উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদান রয়েছে। তবে তুলনামূলক মিষ্টি ফল যেমন কলা, আম, কাঁঠাল বা লিচু একেবারে নিষিদ্ধ নয়, তবে এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। বিশেষত কলা যত পাকে, সহজে হজমযোগ্য কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বাড়তে পারে, তাই ব্যক্তির রক্তের সুগারের প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করতে হবে।

ফলের খাওয়ার পদ্ধতির গুরুত্বও অপরিহার্য। গোটা ফল খাওয়ার পদ্ধতি জুস, স্মুদি বা চিনি মেশানো শরবত থেকে ভিন্ন। গোটা ফল খাওয়ার সময় খাদ্যআঁশের উপকারিতা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। জুসে অল্প সময়ে বেশি চিনি গ্রহণ করা সহজ হয় এবং গোটা ফলের আঁশের সুবিধা কমে যায়। সুতরাং, ডায়াবেটিস রোগীরা ফল খাবেন, কিন্তু জুস নয়।

ডা. সেলিম আরও বলেছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কোনো ‘জাদুকরি খাবার’ নেই। সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর ওজন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসাই মূল চাবিকাঠি। ফল খাওয়ার পদ্ধতি এবং পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস রোগীরা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে পারে।

"ফল পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সঠিক পরিমাণে এবং সঠিক পদ্ধতিতে ফল গ্রহণ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গোটা ফলের খাদ্যআঁশ রক্তের সুগারের শোষণ ধীর করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শাহজাদা সেলিম (সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০ (কোনো সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি, তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖