📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নখ কামড়ানোর ক্ষতিকর অভ্যাস: কেন এবং কতটা বিপজ্জনক?

নখ কামড়ানোর ক্ষতিকর অভ্যাস: কেন এবং কতটা বিপজ্জনক?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নখ কামড়ানোর অভ্যাস শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক। মার্কিন গবেষণা দেখায়, প্রতি ১০ জনের মধ্যে ২-৩ জন এই অভ্যাসে লিপ্ত। নখের নিচে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া মুখে প্রবেশ করে, যা বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে

অনেকেই চিন্তা করতে চিন্তা করতে অজান্তেই নখ কামড়াতে শুরু করেন। এই অভ্যাস প্রথমে মনে হয় নিরাপদ, কিন্তু গবেষণা প্রমাণ করে এটি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি বহন করে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের জরিপে দেখা যায়, প্রতি ১০ জন মার্কিন নাগরিকের মধ্যে ২ থেকে ৩ জনই নিয়মিত নখ কামড়ায়। বাংলাদেশে এ ধরনের গবেষণা না থাকলেও, মার্কিন গবেষকরা বলছেন, মানুষ এই অভ্যাসে লিপ্ত হন মূলত মানসিক চাপ কাটাতে বা একঘেয়েমি কাটাতে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি ১০ জনের মধ্যে ২-৩ জন নখ কামড়ায়
  • 📌 নখের নিচে জমে থাকে গড়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ব্যাকটেরিয়া, যেখানে হাতের অন্যান্য অংশে মাত্র ৩৫৫ ব্যাকটেরিয়া
  • 📌 নখ কামড়ানো ব্যক্তিদের ৭৬% মুখে ক্ষতিকর এন্টারোব্যাকটেরিয়াসি ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়, অন্যদের মাত্র ২৬.৫%
  • 📌 নখ কামড়ানোর অভ্যাসে আঙুল ও নখের ক্ষতি হয়: নখ ছোট ও এবড়োখেবড়ো হয়ে যায়, কিউটিকল নষ্ট হয়, ঘা তৈরি হয়
  • 📌 মানসিক চাপ, একঘেয়েমি কাটাতে অনেকেই অজান্তেই এই অভ্যাসে লিপ্ত হন

📰 বিস্তারিত

নখ কামড়ানোর অভ্যাসের পেছনে রয়েছে মানসিক চাপ ও একঘেয়েমি কাটানো। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের গবেষণা থেকে জানা যায়, এই অভ্যাসে লিপ্ত ব্যক্তিরা মূলত নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন। তবে এই অভ্যাসের শারীরিক ঝুঁকি অপরিসীম। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা যায়, নখের নিচে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ হাতের অন্যান্য অংশের তুলনায় অনেক বেশি। গড়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ব্যাকটেরিয়া নখের নিচে জমে থাকে, যেখানে হাতের অন্য অংশে মাত্র ৩৫৫ ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়।

২০০৭ সালে তুরস্কের আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা যায়, নখ কামড়ানো ব্যক্তিদের ৭৬ শতাংশের মুখে এন্টারোব্যাকটেরিয়াসি নামের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়। অন্যদের মধ্যে এই হার ছিল মাত্র ২৬.৫ শতাংশ। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত নখ কামড়ানো ব্যক্তিদের ৫৮ শতাংশের মুখেই এই ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়, যেখানে নখ না কামড়ানো ব্যক্তিদের মাত্র ১৬ শতাংশের মধ্যে এটি ছিল।

নখ কামড়ানোর অভ্যাস শুধু মুখের জীবাণু ছড়ানোর কারণ নয়, এটি আঙুল ও নখের সরাসরি ক্ষতিও ঘটায়। ২০২২ সালের গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত নখ কামড়ানো ব্যক্তিদের নখ অস্বাভাবিক ছোট ও এবড়োখেবড়ো হয়ে যায়। কিউটিকল নষ্ট হয়ে যায়, নখের চারপাশে ঘা তৈরি হয়, এবং নখের গোড়ায় সূক্ষ্ম রক্তক্ষরণ দেখা যায়।

"নখের নিচে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া মুখে প্রবেশ করে, যা বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। এই অভ্যাসের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক, পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়, আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন গবেষকরা, নখ কামড়ানো ব্যক্তিরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-৩ জন (প্রতি ১০ জনের মধ্যে), ২ লাখ ৪৫ হাজার ব্যাকটেরিয়া, ৭৬ শতাংশ (নখ কামড়ানো ব্যক্তি), ২৬.৫ শতাংশ (অন্যান্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖