📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দৈনিক খাদ্যতালিকায় খাদ্য আঁশ বাড়ানোর সহজ উপায়: বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

দৈনিক খাদ্যতালিকায় খাদ্য আঁশ বাড়ানোর সহজ উপায়: বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সেলিম রেজা বলেছেন, পূর্ণবয়স্ক পুরুষদের দৈনিক ৩০ গ্রাম এবং নারীদের ২০ গ্রাম খাদ্য আঁশ গ্রহণ করা উচিত। পূর্ণশস্য, গোটা ফল, শাকসবজি, বাদাম, ডাল ও ইসবগুল থেকে আঁশের পরিমাণ বাড়ানো যায়

দৈনিক খাদ্যতালিকায় খাদ্য আঁশের পরিমাণ বাড়ানোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুবিধা পাওয়ার উপায় জানতে চাইলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সেলিম রেজা বলেছেন, খাদ্য আঁশের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি কক্সবাজার সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ফুড টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষজ্ঞের মতে, পূর্ণবয়স্ক পুরুষদের দৈনিক ৩০ গ্রাম এবং নারীদের ২০ গ্রাম খাদ্য আঁশ গ্রহণ করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পূর্ণবয়স্ক পুরুষদের দৈনিক খাদ্য আঁশের প্রয়োজন ৩০ গ্রাম, নারীদের ২০ গ্রাম
  • 📌 পূর্ণশস্য খাদ্য যেমন ঢেঁকিছাঁটা চাল, লাল আটা, ওটস, কিনোয়া ও যবে খাদ্য আঁশের ভালো উৎস
  • 📌 গোটা ফল যেমন পেয়ারা, আপেল ও নাশপাতি খোসাসহ খাওয়া খাদ্য আঁশের পরিমাণ বাড়ায়
  • 📌 শাকসবজির পরিমাণ বাড়িয়ে কাঁচা সালাদ ও রান্না করা সবজি খাওয়া খাদ্য আঁশের উৎস
  • 📌 বাদাম, চিয়া সিড, তিসি ও কুমড়ার বিচি খাদ্য আঁশের ভালো বিকল্প
  • 📌 ডাল, ছোলা, মটরশুঁটি ও ইসবগুলের ভুসি দ্রবণীয় খাদ্য আঁশের উৎস
  • 📌 খাদ্য আঁশের পরিমাণ হঠাৎ বাড়ালে গ্যাস ও পেট ফাঁপা হতে পারে
  • 📌 পর্যাপ্ত পানি পান করা খাদ্য আঁশ গ্রহণের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

📰 বিস্তারিত

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সেলিম রেজা বলেছেন, খাদ্য আঁশের প্রধান উৎস হলো পূর্ণশস্য। সাদা চাল বা পরিশোধিত ময়দার পরিবর্তে ঢেঁকিছাঁটা চাল, লাল বা পূর্ণগমের আটা, ওটস, কিনোয়া ও যব বা বার্লি ব্যবহার করা যেতে পারে। এসব খাদ্যে খাদ্য আঁশের পরিমাণ বেশি থাকে।

গোটা ফল যেমন পেয়ারা, আপেল ও নাশপাতি খোসাসহ খাওয়া খাদ্য আঁশের একটি সহজ উপায়। বিশেষজ্ঞের মতে, ফলগুলো ভালোভাবে ধুয়ে খোসাসহ খাওয়া উচিত। এতে খাদ্য আঁশের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।

শাকসবজির পরিমাণ বাড়িয়ে দিনের খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। কাঁচা সালাদ খাওয়া ছাড়াও রান্না করা সবজিও খাদ্য আঁশের একটি ভালো উৎস। বিশেষজ্ঞের মতে, রান্না করলে খাদ্য আঁশ নষ্ট হয় না, এমন ধারণা ভুল।

বাদাম, চিয়া সিড, তিসি ও কুমড়ার বিচি খাদ্য আঁশের একটি ভালো বিকল্প। বিকেলের নাশতায় পপকর্ন, খই ও লাল চিড়াও খাদ্য আঁশের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। ডাল, ছোলা, মটরশুঁটি ও অন্যান্য ডালজাতীয় খাবারও খাদ্য আঁশের একটি ভালো উৎস।

ইসবগুলের ভুসি দ্রবণীয় খাদ্য আঁশের একটি ভালো উৎস। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী, ইসবগুল গ্রহণের সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, খাদ্য আঁশের পরিমাণ হঠাৎ বাড়ালে কারও কারও গ্যাস, পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

"খাদ্য আঁশের পরিমাণ হঠাৎ বাড়াবেন না। কারও কারও গ্যাস, পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেলিম রেজা (ফুড টেকনোলজি বিভাগীয় প্রধান ও ইনস্ট্রাক্টর)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পুরুষের দৈনিক খাদ্য আঁশের প্রয়োজন ৩০ গ্রাম, নারীদের ২০ গ্রাম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖