📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েশন: ত্বকের উজ্জ্বলতা আনতে কীভাবে নিরাপদে ব্যবহার করবেন?

কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েশন: ত্বকের উজ্জ্বলতা আনতে কীভাবে নিরাপদে ব্যবহার করবেন?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ত্বকের দ্রুত উজ্জ্বলতা আনতে কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েশন জনপ্রিয় হলেও সঠিক ব্যবহার না করলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কসমেটোলজিস্ট শোভন সাহা জানান, এএইচএ ও বিএইচএ-এর বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ছাড়া অ্যাসিড ব্যবহার করলে বিপদ হতে পারে

ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েশন এখন জনপ্রিয় পদ্ধতি হয়ে উঠেছে। তবে সঠিক জ্ঞান ছাড়া এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কসমেটোলজিস্ট ও শোভন মেকওভারের স্বত্বাধিকারী শোভন সাহা জানান, কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েন্ট ত্বকের মৃত কোষের বাঁধন ভেঙে প্রাকৃতিকভাবে তা দূর করে। তবে দুটি প্রধান অ্যাসিডের কাজের ধরন আলাদা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **এএইচএ (আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড)** পানিতে দ্রবণীয় এবং ত্বকের ওপরের স্তরে কাজ করে, রোদে পোড়া ভাব ও কালচে দাগ দূর করে ত্বক মসৃণ করে তোলে।
  • 📌 **বিএইচএ (বিটা হাইড্রক্সি অ্যাসিড)** তেলে দ্রবণীয় এবং ত্বকের রোমকূপ ভেদ করে গভীরে ঢুকে পোরসের ময়লা ও অতিরিক্ত তেল দূর করে।
  • 📌 **গ্লাইকোলিক অ্যাসিড** দ্রুত কাজ করে, ত্বকের কোলাজেন বাড়ায় এবং ফাইন লাইনস কমায়।
  • 📌 **ল্যাকটিক অ্যাসিড** ধীরে কাজ করে, ত্বক পরিষ্কার করে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে — শুষ্ক ত্বকের জন্য আদর্শ।
  • 📌 **স্যালিসিলিক অ্যাসিড** ব্রণ ও ব্ল্যাকহেডস দূর করতে কার্যকর, তবে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপযুক্ত।
  • 📌 **ম্যান্ডেলিক অ্যাসিড** সবচেয়ে মৃদু এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য নিরাপদ।
  • 📌 **প্রথমে সপ্তাহে একদিন রাতে** অ্যাসিড ব্যবহার করে ত্বকের সহ্যক্ষমতা বাড়াতে হবে, পরে **সপ্তাহে ২-৩ দিন** পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
  • 📌 **গ্লাইকোলিক অ্যাসিড ৫ শতাংশ, ল্যাকটিক অ্যাসিড ৫-১০ শতাংশ, স্যালিসিলিক অ্যাসিড ০.৫-২ শতাংশ** মাত্রা নিরাপদ।
  • 📌 **অ্যাসিড ব্যবহারের পর অবশ্যই এসপিএফ-৩০ বা এসপিএফ-৫০ সানস্ক্রিন** ব্যবহার করতে হবে।
  • 📌 **অ্যাসিড ব্যবহারের পর কড়া প্রসাধনী এড়িয়ে সেরামাইড বা হায়ালুরনিক অ্যাসিডযুক্ত ময়শ্চারাইজার** মাখতে হবে।

📰 বিস্তারিত

ত্বকের উজ্জ্বলতা আনতে কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েশন এখন একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। তবে অনেকেই বিজ্ঞাপন দেখে বা অন্যদের পরামর্শে অ্যাসিড ব্যবহার শুরু করেন, কিন্তু ত্বকের ধরন বা সংবেদনশীলতা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকায় বিপদে পড়েন। কসমেটোলজিস্ট শোভন সাহা বলেন, কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েন্ট ত্বকের মৃত কোষের বাঁধন ভেঙে তা দূর করে ত্বককে স্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার করে। তবে এএইচএ এবং বিএইচএ-এর কাজের ধরন আলাদা। এএইচএ পানিতে দ্রবণীয় এবং ত্বকের ওপরের স্তরে কাজ করে, রোদে পোড়া ভাব, খসখসে ভাব ও কালচে দাগ দূর করে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করে তোলে। অন্যদিকে বিএইচএ তেলে দ্রবণীয় এবং ত্বকের রোমকূপ ভেদ করে গভীরে ঢুকে পোরসের ময়লা ও অতিরিক্ত তেল দূর করে।

অ্যাসিডের ধরন ও ব্যবহার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে হলে, গ্লাইকোলিক অ্যাসিডের অণু ছোট হওয়ায় দ্রুত কাজ করে এবং ত্বকের কোলাজেন বাড়ায়, ফাইন লাইনস কমায়। ল্যাকটিক অ্যাসিডের অণু একটু বড়, তাই ধীরে কাজ করে এবং ত্বক পরিষ্কার করে আর্দ্রতা ধরে রাখে — শুষ্ক ত্বকের জন্য এটি আদর্শ। স্যালিসিলিক অ্যাসিড ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর করতে কার্যকর, তবে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপযুক্ত। ম্যান্ডেলিক অ্যাসিড সবচেয়ে মৃদু এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য নিরাপদ।

শোভন সাহা পরামর্শ দেন, প্রথমে সপ্তাহে মাত্র একদিন রাতে অ্যাসিড ব্যবহার করে ত্বকের সহ্যক্ষমতা বাড়াতে হবে। পরে সপ্তাহে ২-৩ দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, নতুনদের জন্য গ্লাইকোলিক অ্যাসিড ৫ শতাংশ, ল্যাকটিক অ্যাসিড ৫ থেকে ১০ শতাংশ এবং স্যালিসিলিক অ্যাসিড শূন্য দশমিক ৫ থেকে ২ শতাংশ মাত্রা নিরাপদ। অ্যাসিড ব্যবহারের পর অবশ্যই এসপিএফ-৩০ বা এসপিএফ-৫০ সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে, কারণ অ্যাসিড ব্যবহারে ত্বক সূর্যের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।

অ্যাসিড ব্যবহারের পর ত্বকের প্রাকৃতিক ব্যারিয়ার স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে। তাই কড়া প্রসাধনী এড়িয়ে ভালো মানের সেরামাইড বা হায়ালুরনিক অ্যাসিডযুক্ত ময়শ্চারাইজার মাখা জরুরি। এটি আর্দ্রতা আটকে কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে। এছাড়া, অ্যাসিড ব্যবহারের পরদিন মুখে গরম পানি বা ফেস ব্রাশ ব্যবহার করবেন না।

"ত্বকের কিছু লক্ষণ দেখে বোঝা যায়, বর্তমান ময়শ্চারাইজারটি বদলে ফেলার সময় এসেছে কি না। নিয়মিত ব্যবহারের পরেও ত্বকে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না এসে বরং উল্টো সমস্যা দেখা দিলে বুঝতে হবে, পণ্যটি আপনার ত্বকের উপযোগী নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (ত্বকের যত্ন বিষয়ক পরামর্শ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শোভন সাহা (কসমেটোলজিস্ট ও শোভন মেকওভারের স্বত্বাধিকারী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ শতাংশ (গ্লাইকোলিক অ্যাসিড), ৫-১০ শতাংশ (ল্যাকটিক অ্যাসিড), ০.৫-২ শতাংশ (স্যালিসিলিক অ্যাসিড), ৩০/৫০ (সানস্ক্রিন এসপিএফ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖