📌 চাঁদপুরের সরকারি জেনারেল হাসপাতালের ছাদের পলেস্তারা ভেঙ্গে তিন রোগী আহত হয়েছেন,其中 একজন গুরুতর অবস্থায়। হাসপাতালের ২৫০ শয্যা ধারণক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে ৬০০ রোগী চিকিৎসাধীন। রোগী ও তাদের পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সমাধান দাবি করছেন
চাঁদপুরের সরকারি জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত পুরুষ ওয়ার্ডের সার্জারি বিভাগের ছাদের একটি অংশ হঠাৎ খসে পড়লে তিন রোগী আহত হন। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। আহতদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম (৭০), আকতার হোসেন (৮০) এবং আবুল খায়ের (৪৫) উল্লেখযোগ্য। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, আবুল খায়ের গুরুতর আহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁদপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালের ছাদের পলেস্তারা ভেঙ্গে তিন রোগী আহত হন
- 📌 আহতদের মধ্যে আবুল খায়ের (৪৫) গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন
- 📌 হাসপাতালে বর্তমানে ৬০০ রোগী চিকিৎসাধীন থাকলেও শয্যা ধারণক্ষমতা মাত্র ২৫০
- 📌 হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এ কে এম মাহবুবুর রহমান আহতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন
- 📌 রোগী ও তাদের পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার স্থায়ী সমাধান দাবি করছেন
📰 বিস্তারিত
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পুরোনো ভবনের কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা আগেও ঘটেছে। বিশেষত শিশু ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন বিভাগে ছাদের পলেস্তারা ভেঙ্গে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। আজকের ঘটনায় পুরুষ ওয়ার্ডের রোগীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেকেই হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এ কে এম মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। তিনি জানান, হাসপাতালের ধারণক্ষমতা ২৫০ শয্যা হলেও বর্তমানে প্রায় ৬০০ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যা পুরো অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে মেরামতের কাজ চলছে।
রোগী ও তাদের পরিবার দাবি জানিয়েছেন, এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন না।
"ভবনটি পুরোনো হওয়ার কারণে এর আগেও শিশু ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থানে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুর, সরকারি জেনারেল হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিকুল ইসলাম (৭০), আকতার হোসেন (৮০), আবুল খায়ের (৪৫), এ কে এম মাহবুবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন আহত রোগী, ২৫০ শয্যা ধারণক্ষমতা, ৬০০ রোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!