📌 রক্তশূন্যতা বা হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার সমস্যায় ডালিমের চেয়ে অনেক বেশি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রয়েছে। ডায়েটিশিয়ান তসিবা বিনতে রহমানের পরামর্শে জানা যায়, গরুর কলিজা, মিষ্টি কুমড়ার বীজ, কচু শাক, ডাল ও অন্যান্য খাবার থেকে আয়রন শোষণে সহায়তা পেতে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে
রক্তশূন্যতা বা হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ডালিমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তবে ডায়েটিশিয়ান তসিবা বিনতে রহমানের মতে, ডালিমের চেয়ে অনেক বেশি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রয়েছে যা সহজলভ্য এবং দামেও সাশ্রয়ী। তিনি বলেছেন, ডালিমের প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ০.৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকলেও, গরুর কলিজা, মিষ্টি কুমড়ার বীজ, কচু শাক, ডাল ও অন্যান্য খাবার থেকে আয়রন শোষণে সহায়তা পেতে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডালিমের প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ০.৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকলেও, গরুর কলিজায় প্রতি ১০০ গ্রামে ৬.৫ মিলিগ্রাম আয়রন — যা ডালিমের চেয়ে প্রায় ২২ গুণ বেশি!
- 📌 মিষ্টি কুমড়ার বীজে প্রতি ১০০ গ্রামে ৮.৮ মিলিগ্রাম আয়রন — ডালিমের চেয়ে প্রায় ২৯ গুণ বেশি!
- 📌 কচু শাকে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩.০ থেকে ৮.০ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে — যা ডালিমের চেয়ে ৯ থেকে ২৫ গুণ বেশি!
- 📌 দেশি ছোলায় প্রতি ১০০ গ্রামে ২.৯ মিলিগ্রাম এবং সাধারণ ডালে প্রতি ১০০ গ্রামে ৫.০ মিলিগ্রাম আয়রন — ডালিমের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি!
- 📌 ডিমের কুসুমে প্রতি ১টি বড় ডিমে ১.০ মিলিগ্রাম এবং বিফে প্রতি ১০০ গ্রামে ২.৬ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে!
- 📌 খাবারের পরপর চা-কফি এড়িয়ে চলে, কারণ তা আয়রন শোষণে বাধা দেয়!
- 📌 ভিটামিন সি যুক্ত খাবার (লেবুর রস, আমলকী, পেয়ারা) খাওয়ার সময় আয়রন শোষণে সহায়তা করে!
📰 বিস্তারিত
রক্তশূন্যতা বা হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ডালিমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তবে ডায়েটিশিয়ান তসিবা বিনতে রহমানের মতে, ডালিমের চেয়ে অনেক বেশি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রয়েছে যা সহজলভ্য এবং দামেও সাশ্রয়ী। তিনি বলেছেন, ডালিমের প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ০.৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকলেও, গরুর কলিজা, মিষ্টি কুমড়ার বীজ, কচু শাক, ডাল ও অন্যান্য খাবার থেকে আয়রন শোষণে সহায়তা পেতে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞের মতে, রক্তশূন্যতা নিরসনে ডালিম ছাড়াও অনেক খাবার রয়েছে যা আয়রন সমৃদ্ধ। যেমন, গরুর কলিজায় প্রতি ১০০ গ্রামে ৬.৫ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে, যা ডালিমের চেয়ে প্রায় ২২ গুণ বেশি। মিষ্টি কুমড়ার বীজে প্রতি ১০০ গ্রামে ৮.৮ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে, যা ডালিমের চেয়ে প্রায় ২৯ গুণ বেশি। কচু শাকে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩.০ থেকে ৮.০ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে, যা ডালিমের চেয়ে ৯ থেকে ২৫ গুণ বেশি। দেশি ছোলায় প্রতি ১০০ গ্রামে ২.৯ মিলিগ্রাম এবং সাধারণ ডালে প্রতি ১০০ গ্রামে ৫.০ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে, যা ডালিমের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি।
ডায়েটিশিয়ান তসিবা বিনতে রহমান বলেছেন, "আমাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারণা হলো রক্তশূন্যতা হলে ‘আনার বা ডালিম খেতে হবে’। তবে বাস্তব সত্য হলো, ডালিমের চেয়ে অনেক বেশি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রয়েছে।" তিনি আরও বলেছেন, "আয়রন শরীরে ভালোভাবে শোষণের জন্য ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। যেমন, শাকসবজি বা উদ্ভিদজাত আয়রন শরীর সহজে শোষণ করতে পারে না। তাই শাকসবজি বা ডাল খাওয়ার সময় লেবুর রস, আমলকী বা পেয়ারা খেলে আয়রন দ্রুত শোষিত হয়।"
তিনি আরও পরামর্শ দিয়েছেন, "খাবারের পরপরই চা-কফি এড়িয়ে চলুন। খাওয়ার সাথে সাথে বা পরপরই চা-কফি খেলে এর ভেতরের ট্যানিন ও ফাইটেট শরীরকে আয়রন শোষণে বাধা দেয়। খাবার খাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা পর চা-কফি পান করা উচিত।"
"আনার বা ডালিম খেতে হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সহজলভ্য খাবার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তসিবা বিনতে রহমান (তোড়া ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল নিউট্রিশনিস্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০.৩ মিলিগ্রাম (ডালিমে আয়রন), ৬.৫ মিলিগ্রাম (গরুর কলিজায় আয়রন), ৮.৮ মিলিগ্রাম (মিষ্টি কুমড়ার বীজে আয়রন), ৩৫০-৫৫০ টাকা (১ কেজি ডালিমের দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!