📌 লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ বছর ধরে এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে যন্ত্রপাতি থাকলেও টেকনিশিয়ান না থাকায়। দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় ও দুর্ভোগ বাড়ছে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে বাধ্য হওয়ায়
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ বছর ধরে এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে যন্ত্রপাতি থাকলেও টেকনিশিয়ান না থাকায়। হাসপাতালে দুটি এক্স-রে মেশিন (এনালগ ও ডিজিটাল) অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। উপকূলীয় এলাকার দরিদ্র রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিক ও অন্য হাসপাতালে যেতে বাধ্য হওয়ায় চিকিৎসা ব্যয় ও দুর্ভোগ বাড়ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ বছর ধরে এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে যন্ত্রপাতি থাকলেও টেকনিশিয়ান না থাকায়
- 📌 হাসপাতালে ২০০২ সালে স্থাপিত এনালগ এক্স-রে মেশিন ২০০৭ সালে টেকনিশিয়ান বদলি হওয়ায় বন্ধ হয়ে যায়
- 📌 ২০২০ সালে বরাদ্দকৃত ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনও টেকনিশিয়ান না থাকায় চালু হয়নি
- 📌 রোগীদের অভিযোগ: হাসপাতালে এক্স-রে সেবা চালু থাকলে চিকিৎসা ব্যয় ও দুর্ভোগ অনেক কমত
- 📌 কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান: টেকনিশিয়ান নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
১৯৭৪ সালে উপকূলীয় এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৫ সালে হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ৩১ থেকে ৫০-এ উন্নীত করা হয়। ২০০২ সালে স্থাপিত এনালগ এক্স-রে মেশিন চালুর প্রায় পাঁচ বছর পর, ২০০৭ সালে টেকনিশিয়ান বদলি হয়ে যাওয়ায় সেবা বন্ধ হয়ে যায়। নতুন টেকনিশিয়ান নিয়োগ না হওয়ায় সেবাটি আর চালু হয়নি। ২০২০ সালের শেষ দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অত্যাধুনিক ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হলেও টেকনিশিয়ান না থাকায় সেটিও চালু করা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী মো. দিদার ও আবু সায়েদ বলেন, দুর্ঘটনায় পা ভেঙে যাওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে করতে বলা হয়। হাসপাতালের মেশিন বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে এক্স-রে করাতে হয়েছে। এতে অতিরিক্ত টাকা খরচ হয়েছে। চরপাগলা এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সৈয়দ আহাম্মদ বলেন, দুর্ঘটনায় তাঁর বুকে আঘাত লাগে। হাসপাতালে আসার পর এক্স-রে প্রয়োজন হওয়ায় তাঁকে সদর হাসপাতালে যেতে বলা হয়।
কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন রয়েছে। কিন্তু টেকনিশিয়ানের অভাবে এগুলো চালানো সম্ভব হচ্ছে না। উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র রোগীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে দ্রুত টেকনিশিয়ান নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে।’
"হাসপাতালে এক্স-রে সেবা চালু থাকলে এ ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হতো না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লক্ষ্মীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. মো. মাহবুবুর রহমান, মো. দিদার, আবু সায়েদ, সৈয়দ আহাম্মদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর (বন্ধ এক্স-রে সেবা), ৩১ শয্যা (প্রথমে), ৫০ শয্যা (বর্তমান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!