📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উপজেলা সহকারী যুব কর্মকর্তা নিয়োগে প্রশ্নপত্র ফাঁস: সন্দেহে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিকে নজর

উপজেলা সহকারী যুব কর্মকর্তা নিয়োগে প্রশ্নপত্র ফাঁস: সন্দেহে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিকে নজর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ২৪২ জনের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটে। ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থীর মধ্যে ৯৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে ফাঁসের কারণে তা স্থগিত করা হয়। সন্দেহে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিকে নজর দিচ্ছে মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থা

উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ২৪২ জনের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটে। গত শনিবার রাজধানীর ৯৮টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল বাছাই পরীক্ষা, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহের চশমায় পড়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। একাধিক সূত্রের তথ্য মতে, পছন্দের প্রার্থীদের পাস করিয়ে আনতে প্রশ্নপত্র তৈরি ও বিতরণে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ২৪২ জনের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটে, পরীক্ষা স্থগিত করা হয়
  • 📌 ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থীর মধ্যে ৯৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল শনিবার
  • 📌 প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিকে নজর দিচ্ছে মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থা
  • 📌 প্রশ্নপত্র তৈরি ও ছাপানোর সময় কমিটির পাঁচজন সদস্য ও ১৮-২০ জন কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন
  • 📌 নিয়োগ কমিটির সভাপতি ডি এম আতিকুর রহমান প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে "অলৌকিক" বলে দাবি করেন
  • 📌 প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কোনো তৃতীয় ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না, বলে দাবি করেন উপসচিব মিজানুর রহমান
  • 📌 গত ৫ জুলাই যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদলি করা হয়, নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ পান দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন
  • 📌 প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কমিটির সদস্য ও কর্মচারীদের মধ্যে অর্থ লেনদেনের কথাও শোনা যাচ্ছে

📰 বিস্তারিত

উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহের চশমায় পড়েছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। একাধিক সূত্রের তথ্য মতে, পছন্দের প্রার্থীদের পাস করিয়ে আনতে প্রশ্নপত্র তৈরি ও বিতরণে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় যে, প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কমিটির পাঁচজন সদস্য ও ১৮-২০ জন কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কোনো তৃতীয় ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না, বলে দাবি করেন উপসচিব মিজানুর রহমান।

গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর মতিঝিলের জীবন বীমা টাওয়ারে অধিদপ্তরের ভাড়া অফিসের চতুর্থ তলায় প্রশ্নপত্র তৈরি ও ছাপানো শুরু হয়। রাত সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে শনিবার সকাল ৯টায় শেষ হয় প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ। প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কমিটির পাঁচজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কোনো তৃতীয় ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না, বলে দাবি করেন উপসচিব মিজানুর রহমান। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহের চশমায় পড়েছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় যে, প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কমিটির সদস্য ও কর্মচারীদের মধ্যে অর্থ লেনদেনের কথাও শোনা যাচ্ছে। প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কোনো তৃতীয় ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না, বলে দাবি করেন উপসচিব মিজানুর রহমান। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহের চশমায় পড়েছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

নিয়োগ কমিটির সভাপতি ডি এম আতিকুর রহমান প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে "অলৌকিক" বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাটি মিরাকল। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র তৈরির সময় সবাই একসঙ্গে ছিলেন। অন্য কেউ সেখানে ছিলেন না। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র তৈরির সময় কোনো তৃতীয় ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না।

"নিরপেক্ষ তদন্ত হলে সব বেরিয়ে আসবে। তবে প্রশ্ন হলো নিরপেক্ষ তদন্ত হবে কি না।"

গত ৫ জুলাই যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গাজী মো. সাইফুজ্জামানকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যুক্ত করা হয়। একই দিন অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ পান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন। একই সময়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে বদলি করে আনা হয় যুগ্ম সচিব ডি এম আতিকুর রহমানকে। তিনি নির্বাচন কমিশনে ছিলেন। তিনি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশাসন ও অর্থ শাখার দায়িত্বে রয়েছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা (মতিঝিলের জীবন বীমা টাওয়ার)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডি এম আতিকুর রহমান, মিজানুর রহমান, গাজী মো. সাইফুজ্জামান, মোতাহার হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪২ জন নিয়োগ, ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী, ৯৮টি পরীক্ষা কেন্দ্র, ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ২০ মে ২০২৬, ৫ জুলাই ২০২৬, ১০টা থেকে ৯টা পর্যন্ত প্রশ্নপত্র তৈরির সময়কাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖