📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের নতুন সচিবালয় প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও মন্ত্রণালয় সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) এই বৈঠকে ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের সচিবালয় স্থানান্তরের একটি বড় প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নির্মিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়** নামকরণ: ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ থেকে নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়েছে।
- 📌 **সচিবালয় স্থানান্তর**: রাজধানীর পল্টন থেকে শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওতে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 **প্রকল্পের পরিমাণ**: নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে ৩১ দশমিক ৫১ একর জমিতে ১২ তলাবিশিষ্ট ১৪টি ভবন নির্মিত হবে, যা প্রায় ৩২ লাখ বর্গফুট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত হবে।
- 📌 **সম্পন্নতার সময়সূচী**: পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন সচিবালয় ২০২৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করবে।
- 📌 **পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত**: গত ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যা আজকের বৈঠকে চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রবিবার (১৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ নামকরণের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বাংলাদেশের সচিবালয় স্থানান্তরের একটি বড় প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, এই প্রকল্পের অধীনে রাজধানীর পল্টন থেকে শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওতে নতুন সচিবালয় নির্মাণ করা হবে। নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে ৩১ দশমিক ৫১ একর জমিতে ১২ তলাবিশিষ্ট ১৪টি সুউচ্চ ও আধুনিক ভবন নির্মিত হবে, যা প্রায় ৩২ লাখ বর্গফুট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত হবে।
সচিব নাসিমুল গনি আরও জানান, নতুন সচিবালয় প্রকল্পটি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে পূর্ণাঙ্গ দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও কার্যকর ও আধুনিকভাবে পরিচালিত হবে। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের বিষয়ে গত ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যা আজকের বৈঠকে চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে।
"মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রণালয়টির নাম সংস্কারের সিদ্ধান্ত ছাড়াও বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়টি আলোচনা করা হয়। রাজধানীর পল্টন থেকে শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওস্থ পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন সচিবালয় স্থানান্তর করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১.৫১ একর জমি, ১২ তলা, ১৪টি ভবন, ৩২ লাখ বর্গফুট এলাকা, ২০২৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!