📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি হাট-বাজারে সৌর বিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক: স্থানীয় সরকারের নতুন নির্দেশনা

৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি হাট-বাজারে সৌর বিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক: স্থানীয় সরকারের নতুন নির্দেশনা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্থানীয় সরকার বিভাগের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সব হাট-বাজারে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নেট মিটারিং পদ্ধতিতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ পাবেন স্থানীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ

৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি হাট-বাজারে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের নতুন পদক্ষেপ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপন করা বাধ্যতামূলক
  • 📌 সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ন্যূনতম ২ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ থাকতে হবে
  • 📌 অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ পাবেন; প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা অর্থ প্রদান
  • 📌 হাট ও বাজারের ১০ শতাংশ ইজারালব্ধ আয় থেকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অর্থ নির্ধারণ করা হবে
  • 📌 স্থাপিত সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ২০ বছরের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য চুক্তি বাধ্যতামূলক

📰 বিস্তারিত

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা-২ শাখা থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। নির্দেশনা অনুসারে, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর দাপ্তরিক ভবন এবং এলজিইডির চার-পাঁচতলা ভবনের ছাদের উপর সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।

সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানসমূহ নিজস্ব বিদ্যুত চাহিদা পূরণের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা অর্থ প্রদান করা হবে। এতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্ব আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১০-এর উপবিধি (৩) ও (৫) অনুযায়ী, হাট ও বাজারের ইজারালব্ধ আয় থেকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অর্থ নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া, উপজেলার অন্তর্গত হাট ও বাজারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত ইজারালব্ধ আয়ের ১০ শতাংশ এবং উপজেলার অন্তর্গত হাট ও বাজারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত আরও ১০ শতাংশ অর্থ থেকে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

"টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থানীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যমান দাপ্তরিক ভবন এবং আওতাধীন ভবনগুলোর ছাদে ব্যাটারিসহ সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দেশের সব উপজেলার হাট ও বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সুলতানা আক্তার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জানুয়ারি ২০২৭, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ, ১০ টাকা ৫০ পয়সা, ১০ শতাংশ ইজারালব্ধ আয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖