📌 ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনৈতিকতা বন্ধে সরকারের সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি ইমামদের খুতবায় শরিয়তের নির্দেশনা প্রচার ও ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী কাঠামোতে আনার ঘোষণা দিয়েছেন
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ শনিবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। তিনি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনৈতিকতার ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর’ বলে উল্লেখ করেন। ধর্মমন্ত্রী বলেন, তিনি দেশের বাইরে চিকিৎসার সময় ও দেশে ফিরে এসে এই বিষয়ে লক্ষ্য করেছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটার আশা প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ধর্মমন্ত্রী বলেছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনৈতিকতা বন্ধে সরকারের সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে
- 📌 ইমামদের খুতবায় মাদক, ঘুষ, দুর্নীতি ও যৌন নিপীড়নের বিষয়গুলো উল্লেখ করার আহ্বান জানান ধর্মমন্ত্রী
- 📌 আগামী চার বছরের মধ্যে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সরকারি সম্মানী কাঠামোতে আনা হবে
- 📌 ধর্মমন্ত্রী বলেন, ইমামদের কথা শুনে সাধারণ মানুষ পরম আস্থা রাখে, তাই তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
- 📌 সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী ও সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান
📰 বিস্তারিত
জাতীয় ইমাম সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিছুটা লক্ষ করেছি। আমি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলাম। ওখান থেকে কিছুটা লক্ষ করেছি, দেশে ফিরে এসে লক্ষ করেছি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর। আমরা যা করা প্রয়োজন, তাই করব।’ তিনি ইমামদের খুতবায় শরিয়তের নির্দেশনা প্রচার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন এবং আমাদেরকে নির্দেশনাও দিয়েছেন যাতে এই জিনিসগুলো থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারি।’
সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সমাজের অন্যায় ও অনৈতিকতা দূর করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ইমামদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ ইমামদের কথা পরম আস্থার সঙ্গে শোনে ও বিশ্বাস করে। ধর্মমন্ত্রী আরও জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় নেতাদের পর্যায়ক্রমে সরকারি সম্মানী কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি। এই সম্মেলনের আগে তাদের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে মাদক, ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, জিনা ও অন্যায়-অবিচার দূর করতে জুমার খুতবার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরিতে ইমামদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
"আমরা চেষ্টা করতেছি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। উনি আমাদেরকে নির্দেশনাও দিয়েছেন যাতে এই জিনিসগুলো থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, আগারগাঁও (ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!