📌 প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে মেধা-ভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রাজনৈতিক ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া হচ্ছে। ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) দাবি করেছে, এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক মতপার্থক্য বিবেচনা করা হচ্ছে। ১৭ বছর ধরে গোপন প্রতিবেদনের মাধ্যমে চাকরিবঞ্চিতের অভিযোগ উঠেছে
বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ তীব্র হয়ে উঠেছে। মেধা-ভিত্তিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের এনএসআই, এসবি ও ডিএসবির ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ার ঘটনা বিভিন্ন জেলায় ঘটছে। এই অভিযোগে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রাথমিক শিক্ষক পদে মেধা-ভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রাজনৈতিক ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া হচ্ছে
- 📌 ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) দাবি করেছে, ১৭ বছর ধরে গোপন প্রতিবেদনের মাধ্যমে চাকরিবঞ্চিতের ঘটনা ঘটছে
- 📌 বাদ পড়া প্রার্থীদের জন্য পুনর্বিবেচনা ও নিয়োগের দাবি জানিয়েছে ইউটিএল
- 📌 সরকারকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহি নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
শনিবার ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংকের (ইউটিএল) যৌথ বিবৃতিতে সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান বলেছেন, মেধা-ভিত্তিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের চূড়ান্ত সুপারিশের পরও ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত বিশ্বাস বিবেচনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে কারও রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে চাকরিবঞ্চিত করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ইউটিএল নেতৃবৃন্দ দাবি করেছেন, নির্দিষ্ট আইনগত অযোগ্যতা ছাড়া নিছক রাজনৈতিক পরিচয় বা মতপার্থক্যের ভিত্তিতে কাউকে বঞ্চিত করা গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা আরও উল্লেখ করেছেন, বিগত ১৭ বছর ধরে গোপন প্রতিবেদনের নামে রাজনৈতিক মতাদর্শ বিবেচনা করে নাগরিকদের চাকরি ও ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। এই ধরনের প্রক্রিয়া আর চলতে পারে না।
"ভেরিফিকেশন কোনোভাবেই রাজনৈতিক মতাদর্শিক বৈষম্য বা বাছাইয়ের হাতিয়ার হতে পারে না। সরকারকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান, অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!