📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বঙ্গভবনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে গণমাধ্যমের পেশাদারত্ব ও জনসেবা বজায় রাখার আহ্বান জানান। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকা ও গণমাধ্যম সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমের পেশাদারত্ব ও জনসেবা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণে সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। আজ দুপুরে বঙ্গভবনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকা** উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দীর্ঘ সংগ্রামে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি’
- 📌 **ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সাংবাদিকদের পাশে থাকার স্মৃতি** উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের পাশে ছিলাম এবং সব সময় আছি’
- 📌 **গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠনের** আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘টেলিভিশনের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, গুণগত মান বজায় রাখতে হবে’
- 📌 **ডিজিটালাইজেশন ও স্বনির্ভরতা** অর্জনের মাধ্যমে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর টেকসই হওয়ার জন্য সম্মিলিত কাজ করার আহ্বান
- 📌 **বিজেসি ট্রাস্টির কল্যাণমূলক কাজে** রাষ্ট্রপতি সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং আয় বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দেন
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘দেশের গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা গণতান্ত্রিক উত্তরণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি।’ তিনি দেশগঠনে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থ পরিহার করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুবর্ণ সুযোগ বাস্তবায়ন করতে হবে।’
রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সাংবাদিকদের ওপর জুলুম-নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আপনাদের পাশে ছিলাম এবং সব সময় আছি। আমরা গণতন্ত্রচর্চা ও রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনলে উন্নত দেশগুলোর মতো উন্নতি করতে পারতাম।’ তিনি গণমাধ্যম সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘমেয়াদী দূরদৃষ্টি নিয়ে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে বিজেসি প্রতিনিধিদল জানান, তাদের সংগঠন সাংবাদিকদের কল্যাণের জন্য কাজ করে। তারা প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিমা সহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে। রাষ্ট্রপতি তাদের কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং আয় বৃদ্ধির জন্য কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দেন।
"আপনাদের পাশে ছিলাম এবং সব সময় আছি। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতনের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রচর্চা ও স্থিতিশীলতা আনলে উন্নত দেশগুলোর মতো উন্নতি করতে পারতাম।'
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন বিজেসি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!