📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা মোকাবেলায় সরকার ও ব্যাংক নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি লক্ষ হাজার কোটি টাকার অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠিয়ে বলেছেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ সুবিধা বাড়াতে হবে
ব্যাংকিং খাতের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার ও ব্যাংক নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন — এ কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার ও হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। বঙ্গভবনে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর সভাপতি আব্দুল হাই সরকারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ কথা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ব্যাংক দখল ও জোরপূর্বক শেয়ার লিখে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা সৃষ্টি করেছে।
- 📌 ২৬টি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন সাক্ষাৎকালে।
- 📌 রাষ্ট্রপতি আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার ও ব্যাংক নেতৃবৃন্দের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার বলে দাবি করেছেন।
- 📌 তিনি সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের অর্থ শিক্ষা, হাসপাতাল ও মানবকল্যাণমূলক কাজে ব্যয়ের আহ্বান জানান।
- 📌 ডিজিটাল অর্থনীতি ও কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন ব্যাংক নেতৃবৃন্দ।
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিগত বছরগুলোতে ক্ষমতাশালীদের সহায়তায় দেশের ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে লক্ষ হাজার কোটি টাকা দেশের বাহিরে পাচার হয়ে গেছে। এর ফলে ব্যাংকিং খাত দুর্বল অবস্থায় পড়েছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
রাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গোয়েন্দা বাহিনী ব্যবহার করে ব্যাংক দখল এবং জোরপূর্বক শেয়ার লিখে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে ব্যাংকে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না, যা অনিয়ম বন্ধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাৎকালে বিএবির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীর অর্থ পাচার ও খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকিং খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা দিতে না পারা তাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। তারা আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিতে ব্যাংকিং খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও মোট অর্থের একটি বড় অংশ এখনো ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে লেনদেন হয়। এ কারণে ডিজিটাল অর্থনীতি ও কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
রাষ্ট্রপতি নতুন ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ সুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পসহ উদ্ভাবনী খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।
"গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আন্তরিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত এ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সভাপতি আব্দুল হাই সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬টি ব্যাংক, ২৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!