📌 বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী সরকারের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও ভাইভা নম্বর বৃদ্ধির মাধ্যমে অনিয়মের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, এই পদক্ষেপগুলো হলো রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দলীয়করণের অংশ।
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী সরকারের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পুলিশ ভেরিফিকেশন ও ভাইভা নম্বর বৃদ্ধির মাধ্যমে অনিয়মের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি শাহরিয়ার খন্দকার আলিফ ও সাধারণ সম্পাদক তৈয়ব ইসলামের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপগুলো হলো রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দলীয়করণের অংশ এবং স্বজনপ্রীতি বিস্তারের চেষ্টা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়।
- 📌 ২৩ সেপ্টেম্বর চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের অজুহাতে বাদ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ভাইভা নম্বর ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির এমপি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান লিখিত পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের তাঁর কাছে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে যেতে বলেছিলেন।
- 📌 প্রার্থীদের বাদ দেওয়া ও ভাইভা নম্বর বৃদ্ধির কোনো স্পষ্ট কাঠামো বা নীতিমালা নেই বলে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে।
📰 বিস্তারিত
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ফল প্রকাশিত হয়েছিল। দীর্ঘ আট মাসের অপেক্ষার পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের অজুহাতে বাদ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি প্রশ্ন তুলেছে যে, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ বা প্রমাণ ছাড়া প্রার্থীদের বাদ দেওয়া কেন?
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভাইভা নম্বর ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ক্ষমতা সংকুচিত করে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, এই পদক্ষেপগুলো শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দলীয় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে বিশেষ কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। মিডিয়া হাউসের নিয়ন্ত্রণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক জায়গাগুলোতে রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী দাবি করেছে, পুলিশ ভেরিফিকেশন ও ভাইভা মার্কস বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করছে। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, এই প্রক্রিয়াকে আইনি বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
"কোন কাঠামো বা নীতিমালার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত চাকরিপ্রত্যাশীদের বাতিল করা হলো এবং কোন কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে ভাইভা বোর্ডে নম্বর দেওয়া হবে, তা এখানে স্পষ্ট নয়। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়বে এবং যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (কিশোরগঞ্জ-৪ আসন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহরিয়ার খন্দকার আলিফ, তৈয়ব ইসলাম, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ ফেব্রুয়ারি, ২৩ সেপ্টেম্বর, ৪০০ শতাংশ, ৪ আসন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!