📌 রাজশাহী পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তী নিজেকে ডিআইজি বলে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার এবং কর্মস্থল ত্যাগের অসদাচরণে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়
পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) টুটুল চক্রবর্তী নিজেকে ডিআইজি পরিচয় দিয়ে রাজশাহী বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার এবং কর্মস্থল ত্যাগের অসদাচরণে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর অধীনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টুটুল চক্রবর্তীকে ২০২৬ সালের ৯ অক্টোবর চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
- 📌 ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেন তিনি।
- 📌 সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে একটি ফ্লাইটে চড়েন টুটুল চক্রবর্তী।
- 📌 ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর নির্ধারিত ছুটি পেলেও প্রস্থান প্রতিবেদন দাখিল না করেই কর্মস্থল ত্যাগ করেন।
- 📌 ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অভিযোগনামা দেওয়া হলেও তিনি জবাব দেননি।
- 📌 ১৬ জুন দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার পরও তিনি জবাব দেননি।
- 📌 ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বরখাস্তের পক্ষে পরামর্শ দেয়।
- 📌 ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বরখাস্তের প্রস্তাব অনুমোদন দেন।
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, টুটুল চক্রবর্তী নিজেকে উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পরিচয় দিয়ে অসদাচরণ করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর এবং ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটি পেয়েছিলেন। তবে ১৩ নভেম্বর প্রস্থান প্রতিবেদন দাখিল না করেই কর্মস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন তিনি নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেন। পরে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে একটি ফ্লাইটে চড়েন।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, টুটুল চক্রবর্তী এই ধরনের অসদাচরণ করেছেন বেশ কয়েকবার। বিষয়টি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসে। তাঁর কর্মকাণ্ডের কারণে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা, আইনানুগ আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলাবিরোধী হিসেবে এই কর্মকাণ্ডকে চিহ্নিত করা হয়।
অভিযোগ তদন্তে ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। ৭ মে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে টুটুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দেননি।
"দেশের সব নাগরিকের সার্বিক মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানাচ্ছি।"
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টুটুল চক্রবর্তী, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর, ১০টা ২০ মিনিট, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২ এপ্রিল, ৭ মে, ১৬ জুন, ১৪ সেপ্টেম্বর, ৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!