📌 পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৭২ জন কর্মকর্তাকে সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। নতুন কর্মকর্তাদেরকে পুলিশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ পুলিশের নতুন নেতৃবৃন্দদেরকে সততা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৭২ জন কর্মকর্তা (এএসপি) পদায়িত হওয়ার পূর্বে দিকনির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে তিনি নতুন কর্মকর্তাদেরকে আগামী দিনের টেকসই ও নিরাপদ বাংলাদেশ নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য উৎসাহিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৭২ জন নতুন কর্মকর্তা** (৬৬ পুরুষ ও ৬ নারী) পুলিশে যোগ দিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর সমাজ ও রাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
- 📌 **আইজিপি আলী হোসেন ফকির** বলেছেন, পুলিশিং একটি সেবা ও চ্যালেঞ্জ — জনগণের সঙ্গে আস্থাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং নারী, শিশু ও বয়স্ক নাগরিকদের প্রতি সংবেদনশীলতা বজায় রাখতে হবে।
- 📌 **নবীন কর্মকর্তাদের**কে ভবিষ্যতের পুলিশ লিডার হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে এবং নিত্যনতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হতে বলা হয়েছে।
- 📌 **পদায়িত কর্মকর্তারা** মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন এবং জনগণকে সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনআস্থা অর্জনের অঙ্গীকার করেছেন।
- 📌 **অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন** সভাপতিত্ব করেছেন এবং জাতির প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন কর্মকর্তাদেরকে উৎসাহিত করেছেন।
📰 বিস্তারিত
পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, বর্তমান সমাজে পুলিশকে নতুন পথরেখা নির্মাণ করতে হয়েছে। তিনি নতুন কর্মকর্তাদেরকে জনপ্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তাকে পুলিশ বাহিনীর একজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে জনতার পাশে দাঁড়াতে হবে। আইজিপি আরও বলেন, পুলিশিং একটি সেবা ও চ্যালেঞ্জ — জনগণের সঙ্গে আস্থাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে সেবা প্রদান করতে হবে।
৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। আইজিপি নতুন কর্মকর্তাদেরকে ভবিষ্যতের পুলিশ লিডার হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে এবং নিত্যনতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হতে বলেন। তিনি দায়িত্ব পালনের সময় সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এবং আইন ও বিধিবিধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পেশাদারত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে নতুন কর্মকর্তারা তাদের প্রশিক্ষণ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা পেশাদারত্ব বজায় রেখে জনগণকে সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনআস্থা অর্জনের অঙ্গীকার করেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মো. মুশফেকুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান, অতিরিক্ত আইজি (অডিট অ্যান্ড ইন্সপেকশন) ও নবগঠিত সাইবার পুলিশ ইউনিটের প্রধান মো. ইকবাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিআইজি (প্রশাসন) মো. হুমায়ুন কবীর।
"বর্তমান বাস্তবতায় পুলিশকে নতুন পথরেখা নির্মাণ করতে হয়েছে, যা জনপ্রত্যাশা, মানবাধিকার এবং নারী, শিশু ও বয়স্ক নাগরিকদের প্রতি সংবেদনশীল। নতুন কর্মকর্তাদের নবোদ্যম ও অঙ্গীকার নিয়ে জনপ্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুলিশ সদর দপ্তর, হল অব ইন্টেগ্রিটি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ জন কর্মকর্তা (৬৬ পুরুষ, ৬ নারী), ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!